ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ বাস চলাচল হঠাত্ বন্ধ যাত্রীরা বিপাকে

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২৬
মাওয়ায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ করে সৃষ্ট গোলযোগের কারণে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ রুটে বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া ঢাকা-দীঘিরপাড়, ঢাকা-টঙ্গীবাড়ি, বালিগাঁও-লৌহজং-মাওয়া-ঢাকা রুটেও বাস চলছে না। গতকাল সোমবার সকালে রাস্তায় নেমে বাস না পেয়ে বিপাকে পড়েন অসংখ্য যাত্রী। তবে মাওয়া হয়ে খুলনাসহ অন্যান্য জেলার দূরপাল্লার বাসগুলো চলছে বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, পরিবহন শ্রমিক কল্যাণের নামে মাওয়ায় বাসপ্রতি ৩০ টাকা হারে চাঁদা আদায়কে কেন্দ করে শনিবার থেকেই নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। এর জের ধরেই গতকাল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বাস চলাচল বন্ধের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার মাওয়া ফেরিঘাটে ঢাকামুখী অপেক্ষমাণ যাত্রীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বেশি। মুন্সীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকেও কোনো যাত্রী ঢাকা যেতে পারেনি। ঘোষণা ছাড়াই এমন আকস্মিক ধর্মঘটের কারণে নিয়মিত যাত্রীরা চরম বিড়ম্বনায় পড়েন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত রয়েছেন বলে জানান মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. শাহাবুদ্দিন খান। মাওয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খন্দকার খালিদ হোসেন জানান, ভোরে মাওয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো কেরানীগঞ্জের আবদুল্লাহপুর ও রাজেন্দ পুর এলাকায় আটকে দেন শ্রমিক নেতারা। একইভাবে ঢাকা থেকে আসা বাসগুলোকেও মাওয়া আসতে দেয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে মুন্সীগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাস নারায়ণগঞ্জের পাগলায় শ্রমিক নেতাদের বাধার সম্মুখীন হয়। তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে সমঝোতার জন্য উভয়পক্ষের সমঝোতা বৈঠকের কথা রয়েছে। মাওয়া সড়ক ও শ্রমিক পরিবহনের (৪৯৪) বকুল খান জানান, জেলা শ্রমিক ইউনিয়ের নামে চাঁদা আদায়ের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। চাঁদা আদায় বন্ধ না হলে অন্যান্য রুটেও বাস বন্ধ করে দেয়া হবে বলে তিনি জানান। এ ব্যাপারে জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের লৌহজং শাখার সভাপতি সালাউদ্দিন টিটু জানান, এই চাঁদার ভাগ মাওয়া সড়ক ও শ্রমিক পরিবহন পাচ্ছে না বলেই সন্ত্রাসী শহিদের সহযোগী কালা বাবুলের সহায়তায় বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।