ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক মেডিকেল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ ব্যক্তিকে রুদ্ধদ্বার বিচারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের হট্টগোল ও গণমাধ্যম কর্মীদের সরব উপস্থিতির মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নম্রিতা আগারওয়াল বলেন, এ অবস্থায় মামলা সুচারুরূপে পরিচালনা করা আদালতের পক্ষে সম্ভব নয়। খবর এএফপি ও রয়টার্সের।
গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রাথমিক শুনানির জন্য গতকাল তিহার জেল থেকে দক্ষিণ দিল্লির সাকেত আদালতে হাজির করা হয় পাঁচ আসামিকে। আসামিদের পক্ষ হয়ে মামলা লড়ার বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের তর্কবিতর্কে আদালত কক্ষে হট্টগোল শুরু হয়। আদালত কক্ষে কোলাহলপূর্ণ পরিবেশের কারণে রুদ্ধদ্বার শুনানি অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। আসামিদের বিরুদ্ধে অপহরণ, গণধর্ষণ ও হত্যাসহ আরো কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি ভারতের নবগঠিত দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তর করা হতে পারে।
ম্যাজিস্ট্রেট নম্রিতা আগরওয়াল বলেছেন, অতিরিক্ত লোকজনে আদালত কক্ষ বিশৃঙ্খল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় বিচার পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে শুনানি সাময়িকভাবে স্থগিত করে রুদ্ধদ্বার কক্ষে শুনানি করার নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর সাংবাদিকরাও আদালত কক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। আসামিদের দুইজন শাস্তি এড়াতে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। ষষ্ঠ আসামির বয়স ১৭ হওয়ায় কিশোর আদালতে আলাদাভাবে তার বিচার করা হবে।
গত ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে চলন্ত বাসে ২৩ বছর বয়সী মেডিকেল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও তার ছেলে বন্ধুসহ তাকে মারধরের পর তাদের বাস থেকে ফেলে দেয়া হয়। দুই সপ্তাহ পর সিঙ্গাপুরে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মেয়েটি মারা যায়।
