তোমাদের চিঠি থেকে

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০১৩, ১৮:৪৫
আসরের বন্ধুরা, সবাই শুভেচ্ছা নিও। তোমরা জানো বাংলাদেশে অনেক দরিদ্র মানুষ আছে, যারা এই শীতে রাস্তায় পড়ে কাঁপছে। অনেকে কষ্ট করে বাঁচে। যখন তারা কষ্ট সহ্য করতে পারে না তখন তারা অনেক কিছু করে। বাংলাদেশে যেমন দরিদ্র মানুষ আছে, তেমনি বিত্তবান লোকেরও অভাব নেই। তারা নানা রকম অপচয় করে। আমরা কি পারি না ঐ সব দরিদ্র মানুষকে একটি করে শীতবস্ত্র দান করতে? আমাদের একটি অন্তত পুরোনো বস্ত্র তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারে। আমরাই পারি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। এই শীতে আমার লেখা একটি কবিতা পাঠাচ্ছি। ছাপা হলে খুশি হব। এই শীতে এই শীতে থরথর শিশুগুলো কাঁপছে কেউ কি তাদের কথা একটিবার ভাবছে? শীতের একটা বস্ত্র আমরা পারব না কি দিতে, বন্ধু হয়ে দাঁড়াই এসো ভয়ঙ্কর এই শীতে। রিতু পারভীন, সদস্য নম্বর-৩০৮১, আমার সালাম নেবেন। আমি কচি-কাঁচার আসর পড়ি। ভাল লাগে। আমি সদস্য হতে চাই। আমাকে সদস্য করে নেবেন। আমি কয়েকটা ছড়া লিখেছি। একটা পাঠালাম। ছাপাবেন কিন্তু। শীতের ছড়া রোজ সকালে লেবুর ডালে টোনাটুনি আসে— প্রজাপতি শিশির মেখে সোনার রোদে হাসে। নওশীন তাসনীম আদৃতা, প্রথম শ্রেণি, মাস্টার মাইন্ড স্কুল, ধানমণ্ডি, ঢাকা। আমার সালাম নেবেন। আমি কচি-কাঁচার আসরের একজন নিয়মিত পাঠক। আমার সদস্য নম্বর-১৯১। প্রায় তিন বছর হলো আমি এ আসরের সদস্য। আসরের বন্ধুদের পাঠানো ছবি ছাপতে দেখে আমি অনেক আশা নিয়ে ‘গ্রামবাংলা’ শিরোনামে একটি ছবি পাঠালাম। ছবিটি আসরের পাতায় ছাপালে আমি খুব খুশি হবো। বর্তমানে আমি খুলনা জিলা স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। যখন সদস্য হই তখন ছিলাম ফাতিমা উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনাতে। আমি আপনাদের দোয়াপ্রার্থী। এসএম নাগিব হাসান সদস্য নম্বর-১৯১,, চতুর্থ শ্রেণি, খুলনা জিলা স্কুল, খুলনা।