বর্ষসেরা ফুটবল একাদশে স্পেনের বিপ্লব বলা চলে। কারণ ফিফার গতকাল ঘোষিত বর্ষসেরা একাদশে ছয়জনই স্পেনের জাতীয় দলের খেলোয়াড় এবং ১১ জনই স্পেনের ক্লাবে খেলেন। এর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার দশজন! লা লিগার এই দুটি ক্লাবের পাঁচজন করে রয়েছেন। ‘স্বপ্নের দল’ টি নির্বাচিত করেছে ফিফরো, খেলোয়াড়দের ইউনিয়ন। বর্ষসেরা একাদশে অপর খেলোয়াড়টি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কলম্বিয়ান সুপারস্টার স্ট্রাইকার রাদামেল ফ্যালকাও রয়েছেন।
ইতিমধ্যে অবশ্য লা লিগার এই প্রবল দাপট নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞই এই দল নিয়ে আপত্তি তুলছে। ব্রাজিলের নেইমার, নেদারল্যান্ডসের ফন পার্সির মতো খেলোয়াড় একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। রিয়ালের মার্সেলো বা বার্সেলোনার জেরার্ড পিকের সংযোজনেও বিস্মিত হয়েছেন অনেকে। সব মিলিয়ে বাকি পুরস্কারগুলো নিয়ে তেমন বিতর্ক না হলেও এই একাদশ নির্বাচন নিয়ে বেশ বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সে বিতর্ক আপাতত তুলে রেখে লা লিগার এই বিপুল জয়ের দিকেই ফিরে দেখা যাক। রিয়াল মাদ্রিদের গোলরক্ষক ইকার ক্যাসিয়াস সম্প্রতি দল থেকে বাদ পড়েছেন, তিনি একাদশে রয়েছেন। রক্ষণভাগে এছাড়া ব্রাজিলিয়ান দানি আলভেজ (বার্সেলোনা) এবং রিয়াল মাদ্রিদের মার্সেলোর (ব্রাজিল) সাথে রয়েছেন রিয়ালের সার্জিও র্যামোস। ক্যাটালন ক্লাবের জেরার্ড পিকে সেন্টাল ডিফেন্স হিসেবে রয়েছেন।
বার্সা এবং স্পেনের জুটি জাভি হার্নান্দেজ এবং আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা মাঝ মাঠে, তাদের সাথে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের শক্তিশালী মানব জাভি অ্যালোনসো। আক্রমণভাগে আর্জেন্টিনার সুপারস্টার লিওনেল মেসির সাথে রয়েছেন ব্যালন ডি‘অর প্রতিযোগী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং ফ্যালকাও। স্পেনের ছয়জন খেলোয়াড় ২০১১ সালেও বর্ষসেরা একাদশের তালিকায় ছিলেন। সেখানে বার্সেলোনার ছিল পাঁচ এবং রিয়াল মাদ্রিদের চারজন।
