বাজেয়াপ্ত করতে দণ্ডপ্রাপ্তদের কিছু সম্পত্তি চিহ্নিতকরণ

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১২
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৬ আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে কিছু সম্পদ চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি কানাডায় অবস্থানরত নূর চৌধুরী এবং আমেরিকায় অবস্থানরত রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতি আবেদন জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত ৬ আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে গঠন করা টাস্কফোর্সের ১৩তম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত টাস্কফোর্সের ১৩তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সি কিউ কে মোশতাক, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকারসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যারিস্টার শফিক বলেন, “সম্পত্তি চিহ্নিত করতে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজউকের চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে ঢাকার কোথায় তাদের সম্পত্তি রয়েছে তার হিসাব দেওয়ার জন্য। আর ব্যাংক হিসাব জানাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সবকিছু যাচাই করে কয়েকদিনের মধ্যেই সম্পত্তি ও সম্পদের হিসাব জানানো হবে।” তিনি বলেন, “কানাডায় নূর চৌধুরী এবং আমেরিকায় রাশেদ চৌধুরীর অবস্থান নিশ্চিত হলেও অন্যরা কোথায় কীভাবে রয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।” নূর ও রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে আইনমন্ত্রী বলেন,“কানাডায় নূর চৌধুরীর করা রিস্ক এসেসমেন্ট আবেদনের নিষ্পত্তি হলে তাকেও ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনমন্ত্রী জানান, “রাশেদ চৌধুরীর বিষয়েও আবেদন জানানো হবে। কানাডা ও আমেরিকাকে জানানো হবে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনেই ফাঁসি দেওয়া হবে, তা নয়। তাদের জন্য আপিল, রিভিউ এবং রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ রয়েছে।” গত ২১ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত এবং তাদের ফিরিয়ে আনতে আমেরিকা ও কানাডায় দু’টি আইনী পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয় সরকার।