গ্রেফতার আতংকে রংপুরের বিএনপি নেতারা আত্মগোপনে

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৪৪
পুলিশের মামলার কারণে রংপুরে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। গত সোমবার পুলিশের উপর হামলা, সরকারি কাজে বাধাদান, আহত ও জখম করার অভিযোগ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে যুবদলের জেলা সভাপতি রইচ আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আলমগীরসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ২৮ নেতার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জন নেতার নামে পুলিশ বাদী হয়ে ২টি মামলা হয়েছে। কোতয়ালী থানার এসআই রফিকুল ইসলাম রফিক ও নবাবগঞ্জ ফাঁড়ির কনস্টেবল আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে পুলিশকে আহত ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ অন্যান্য অভিযোগে ২টি মামলা করেছেন। ঘটনার দিন রাতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ নগরীর বিভিন্ন মহলে অভিযান চালিয়ে জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি জানে আলম জানু, সহ-প্রচার সম্পাদক রাশেদুজ্জামান হালিম, যুবদল নেতা আবু বক্কর রাজন, মিজানুর রহমান মিজান, মোজাম্মেল হক ও জেলা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত জীবনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। ওইরাতে পুলিশ বিএনপির ৩ অঙ্গসংগঠনের অধিকাংশ নেতাকর্মীর বাড়িতে অভিযান চালায়। এ ঘটনার পর থেকে শীর্ষ নেতারা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। নেতারা অভিযোগ করেন, পুলিশ মহলবিশেষ দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছেন। কোতয়ালী থানার ওসি আলতাফ হোসেন জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নামে মামলা হয়েছে। মহলবিশেষ দ্বারা প্ররোচিত হয়ে কাউকে হয়রানি করার জন্য মামলা দায়ের করা হয়নি।