বাঁশখালী উপজেলায় ‘পিইসি’ পরীক্ষার্থী এক কিশোরী পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্রেই সন্তান প্রসব করায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। হতভম্ব হয়ে পড়েছে সর্বস্তরের মানুষ। ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
গত রবিবার বাঁশখালী পৌর সদরস্থ বাঁশখালী সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ‘পিইসি’র গণিত পরীক্ষা চলাকালে সকাল সাড়ে ১০টায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে। সন্তান প্রসবকারী কিশোরীর বয়স (১৩), সে পূর্ব জলদী ভিলেজার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং বাঁশখালী পৌরসভার জনৈক নুরুল আলমের কন্যা।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, সকাল ১০টায় কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর পরীক্ষা চলাকালীন কিশোরী ছাত্রীটির পেটের ব্যথা শুরু হলে পরীক্ষার হল থেকে সরিয়ে পাসের রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার প্রসব যন্ত্রণা তীব্র হলে কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকরা জরুরিভিত্তিতে বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খবর দিলে কর্তব্যরত মিডওয়াইফারি নার্স বাচ্চাটি ডেলিভারি করায়। নার্স পরবর্তীতে বাচ্চা ও মাকে নিয়ে হাসপাতালে চলে আসে।
বাঁশখালী হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডের ইনচার্জ নাহিদা বেগম মজুমদার জানান, এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালে আসেনি। তবে মেয়েটির সাথে কথা বলে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী যুবক জনৈক নেজাম উদ্দিনের সাথে ফাতেমা বেগমের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার মাসুদ রানা বলেন, খবর পেয়ে বাঁশখালী হাসপাতালে গিয়ে ধর্ষক নেজাম উদ্দিনকে আটক করি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
