ব্যাংকিং আইন সংশোধনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়ানো হবে বললেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সচিবালয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের নতুন পরিচালকদের ব্যাংকিং আইন ও নিয়ম নীতি সম্পর্কে ধারণা দিতে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধন শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আগে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ধারের কাছে যেতে পারত না। সেখান থেকে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এখন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। শীঘ্রই তাদের ক্ষমতা বাড়িয়ে নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইন হচ্ছে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব বাড়ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনার দায়বদ্ধতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে চলে যাবে।
একই অনুষ্ঠানে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সামাজিক ব্যবসার সমালোচনা করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, পৃথিবীর কোন দেশে সামাজিক ব্যবসার কোন রিজিউম নেই। শুধু বাংলাদেশে কিছুটা হয়েছে। তবে তার ৪০টি সামাজিক বিনিয়োগের প্রতিষ্ঠানের ২০টিই মরে গেছে—এর কিছু দেউলিয়া, কিছু মুনাফা করতে না পারা এবং কিছু মন্দার কারণে। তিনি বলেন, সামাজিক ব্যবসায় দায়িত্বশীলতার অভাব রয়েছে। অনেক ফাঁকি থাকে। কিন্তু পাবলিক বিনিয়োগের ব্যবসায় সেটি হয় না।
দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজী হাসান, এসকে সূর চৌধুরীসহ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একইস্থানে অগ্রণী ব্যাংকের লভ্যাংশ প্রদান অনুষ্ঠান হয়।
