রোগী :ডাক্তার সাহেব আমি ইদানিং সবকিছুই দুটো দুটো করে দেখি। এর কী কোনো সহজ সমাধান দেওয়া সম্ভব?
ডাক্তার :অবশ্যই সম্ভব। আপনি এখন থেকে এক চোখ বন্ধ রেখে দেখুন। তাহলেই আশা করি অঙ্কের নিয়মে সবকিছু আবার একটা করে দেখতে পাওয়ার কথা।
সান্তা :কী ব্যাপার বান্তা। তোমার মন এতো খারাপ কেন?
বান্তা :না মানে এই মাত্র এমন একটা বই শেষ করলাম যার শেষটা ছিল খুবই দুঃখের।
সান্তা :তা কী বই? আর শেষটায় কী নায়ক-নায়িকা কেউ মারা গেল?
বান্তা :না হে, বইটা ছিল আমার ব্যাংকের চেক বই। আর শেষটায় এসে ব্যাংকের টাকাও ফুরিয়ে গেল বলেই এতো দুঃখ লাগছে।
শেয়ার মার্কেটে হঠাত্ দরপতনের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লেন এক বিনিয়োগকারী। তার শারিরীক অবস্থার অবনতি ঘটার কারণে কয়েকজন বন্ধু মিলে তাকে কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। ওই বিনিয়োগকারী তখন প্রচণ্ড জ্বর আর কাঁপুনিতে আক্রান্ত। এমন সময় এক নার্স এসে থার্মোমিটার দিয়ে তার তাপমাত্রা পরীক্ষা করে বললেন, ‘১০১’। এ সময় জ্বরের ঘোর থেকেই ওই বিনিয়োগকারী বলে উঠলেন ‘১০২ উঠলে সেল করে দেবেন!’
ডিভোর্স ল’ইয়ারের কাছে এসেছেন এক দম্পতি—
উকিল :বিয়ের ২৫ বছর হয়ে গেছে। সন্তানরাও বড়। তাই বলছিলাম এই বয়সে ডিভোর্স না নিয়ে আরেকবার বিষয়টা নিয়ে ভাবলে হতো না!
স্বামী-স্ত্রী :আপনার কী মনে হয় না ২৫ বছর ভাবনার জন্য যথেষ্ঠ সময়!
