সরকার নোট বই বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও এক শ্রেণীর অসাধু শিক্ষকদের সহায়তায় দেদারছে চলছে নোট বই বিক্রি। উপজেলার ৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঝে সৌজন্য নোট বই বিতরণ করে নোট বই কিনতে উত্সাহিত করছেন প্রকাশকরা। নোট বই বিক্রি হওয়ায় সৃজনশীল শিক্ষা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। উপজেলার প্রায় প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই নোট বই বিক্রি হচ্ছে। এ বই বিক্রিতে উপজেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বিরুদ্ধে অনৈতিক বিশেষ সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। আর সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে চড়ামূল্যে এসব নোট-গাইড বই বিক্রি করা হচ্ছে। চড়ামূল্যে বই কিনতে না পারায় অনেক হতদরিদ্র শিক্ষার্থী পড়াশুনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এ দিকে অসাধু লাইব্রেরী ও শিক্ষকদের কারণে প্রাথমিক স্তরেই ঝরে পড়ছে শত শত শিশু-কিশোর। অনুসন্ধানে দেখাগেছে, উপজেলার বুলবুল লাইব্রেরী, রহমানিয়া লাইব্রেরী, মাস্টার লাইব্রেরী, মওলানা বুক ডিপো লাইব্র্র্র্র্রেরীর লেকচার, মেধা বিকাশ, ফুলকুঁড়ি এবং পাঞ্জেরী নামে নিষিদ্ধ নোট, গাইড বই দেদারছে বিক্রি করছে। তাছাড়া নোট বই কিনতে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের উপর চাপ প্রয়োগ করছে বলে একাধিক অভিভাবক জানিয়েছেন। জানা গেছে, নোট বই বিক্রির অতিরিক্ত টাকা শিক্ষকদের মাঝে ভাগ-বণ্টন হয়। এদিকে নোট-গাইডের বিভিন্ন প্রকাশক তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের হাতে সৌজন্য কপি দিয়ে নোট-গাইড কিনতে উত্সাহিত করছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা রাজিয়া বলেন, খুব শীঘ্রই নোট-গাইড বিক্রি বন্ধে অভিযান চালানো হবে।
