সাজসজ্জায় কৃত্রিম গাছে ফুল ফল

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:২৬
দিন যতই সামনে যাচ্ছে বাণিজ্য মেলার আমেজ ততই বেড়ে উঠছে। পুরোপুরিই জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা। ইট, বালু আর পাথর, সিমেন্টের এই ব্যস্ত নগরীতে ব্যস্ততায় জীবন কাটাচ্ছেন সবাই। রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভীড়। অনেক ক্রেতাই বাণিজ্য মেলার জন্য অপেক্ষা করেন ১১টি মাস। বছরের শুরুতে বাণিজ্য মেলা পেয়ে তারা কিনে নিচ্ছেন দৈনদিন জীবনের সবকিছু। মেলার স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলোর মধ্যে কিছু স্টল দূর থেকেই চোখে পড়ে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের। দূর থেকে মনে হয় সবুজের সমাহার ঐ স্টলগুলোতে। গাছে গাছে নানা প্রজাতির ফল ফুল ধরেছে। কোন ফল আধা পাকা আবার কোনটা পুরোটাই পাকা। টবে টবে লাগানো আছে এই ফুল ফলসহ গাছগুলো। কেউ কেউ অবাক হয়ে দোকানীদের কাছে জিজ্ঞেসও করে ফেলেন এগুলো কি সত্যি সত্যি? গাছগুলো আসলে সত্যিকারের জীবিত কোন গাছ না। কিন্তু দূর থেকে দেখে বোঝার কোন উপায় নেই এটি জীবিত না মৃত অথবা সত্যি না কৃত্রিম। মেলায় আসা এই কৃত্রিম গাছগুলো সাজ সজ্জার জন্য ব্যবহার করা হয়। এবারের মেলায় প্রায় ১০টি স্টল এসব পণ্য নিয়ে এসেছে। স্টলগুলো মেলার দক্ষিণ পার্শ্বে রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে হোম একাডেমী, হেপি ডে, ফুলের ডালী ইত্যাদি। সাজ সজ্জার জন্য হাতে তৈরি এই পণ্য কিনছেনও অনেকে। এগুলোর দাম ১শ’ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। বনানী থেকে সপরিবারে মেলায় এসছেন স্বপন আহম্মেদ কবির। তার স্ত্রী সাবিনা কবির ইত্তেফাককে জানান, বাড়ি সাজানোর জন্য মেলা থেকে নানা প্রজাতির বিভিন্ন রঙ্গের কৃত্রিম ফুল ফলের গাছ কিনে নিলাম। কারণ এগুলো সচরাচর বাইরে পাওয়া যায় না। ফুলের ডালী স্টলের মালিক অনুপ কুমার ইত্তেফাককে জানান, মেলায় এই পণ্যগুলোর চাহিদা সব সময়ই থাকে। তবে এ বছর এর চাহিদা কম মনে হচ্ছে। তেমন বেচাকেনা হচ্ছে না। দোকান ভাড়া উঠাতে পারি কিনা এ দুশ্চিন্তায় আছি।