কার্যাদেশের চার মাস অতিক্রান্ত

মংলা বন্দরে পশুর নদীর ড্রেজিং শুরু হয়নি

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৫৪
কার্যাদেশ প্রদানের ৪ মাস অতিবাহিত হলেও মংলা বন্দরের পশুর নদী খনন কাজ এখনো শুরু হয়নি। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে মালয়েশিয়ান কোম্পানি মেসার্স ইনাই কেয়ারকে ১২৬ কোটি টাকায় গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পশুর নদী খনন কাজের কার্যাদেশ দেয়া হলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ এ কোম্পানির সাথে চুক্তিনামা স্বাক্ষর করতে পারেনি। ‘পশুর চ্যানেলের হারবার এলাকায় ড্রেজিং’ নামে একটি প্রকল্প জাতীয় নির্বাহী কমিটি একনেকে পাস হয় ২০১০ সালের ২৩ এপ্রিল। এ প্রকল্পে মোট ১৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই অর্থে বন্দর কর্তৃপক্ষ পশুর নদীর জয়মনি থেকে সবুর বিকন পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার নদীর মধ্যে ৬টি স্থান খননের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই ৬টি স্থান থেকে ৪১ লাখ ৯৬ হাজার ঘন মিটার মাটি উত্তোলন করে পশুর নদীকে ৭ থেকে ৮ মিটার পণ্যবাহী জাহাজ বন্দরে আগমন ও নির্গমনের সিদ্ধান্ত করা হয়। এ প্রকল্পটি ২০১৩ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্পের ওই সিডিউল অনুসারে ইতিপূর্বে চারবার দরপত্র আহ্বান করা হয়। মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী (সিঃ এন্ড হাঃ) মো. কাওসার আলী বলেন, ড্রেজিং কাজের কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদারি কোম্পানির সাথে ব্যাংক গ্যারান্টিসহ কিছু জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে এখন পর্যন্ত চুক্তিনামা স্বাক্ষর হয়নি। তিনি আরো জানান, গত সপ্তাহে এ জটিলতা নিরসনে ঢাকায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত কোম্পানিটিকে শেষ সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে।