ভোলার বোরহানউদ্দিনে গতকাল রবিবার ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ দাফনে ভোলার ডিসির অনুমোদনের পর স্থানীয় থানা পুলিশ লাশ হস্তান্তর না করায় গ্রামবাসী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। আধা ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিক ও স্থানীয় জনতাসহ প্রায় ৩০ জন আহত হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মাদ্রাসা ছাত্র সোহাগের লাশ অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর না করে রবিবার ভোর রাতে ভোলার মর্গে পাঠালে উত্তেজিতরা বিক্ষোভ মিছিলসহ থানায় হামলা চালায়। তবে নিহতের মা সামছুন নাহার ২ লাখ টাকা ওসিকে না দেয়ায় লাশ দেয়া হয়নি বলে দাবি করেন। আহত পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় হাসপাতালে এবং জনতা পুলিশের ভয়ে বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিত্সা নিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও একাধিক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে হামলার পর পুলিশ ১ ছাত্র ও ৩ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিহত সোহাগের পরিবার জানায়, শনিবার দুপুরে কুতুবা ইউনিয়নের ছাগলা মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় ট্রলির চাপায় নিহত হয় ওই মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সোহাগ। ঘটনার পর স্থানীয় থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। অভিভাবকরা মামলা না করার শর্তে ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ দাফনের জন্য ভোলা জেলা প্রশাসকের অনুমতি নেয়। অনুমতির কপি স্বজনরা স্থানীয় থানায় দাখিল করলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা লাশ হস্তান্তর না করে রবিবার ভোরে মর্গে প্রেরণ করে। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে এলাকাবাসী। পরে উত্তেজিতরা একত্রিত হয়ে বোরহানউদ্দিন পশ্চিম বাজার থেকে জুতা ও ঝাড়ু মিছিল নিয়ে থানা ঘেরাও করে।
