ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় যমুনা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন ও দিলকুশা শাখার ব্যবস্থাপক রফিকুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। একটি কোম্পানির পণ্য রফতানির নামে চারটি ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এঘটনায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকেরও দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সে ব্যাংক। এছাড়া প্রাইম ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে।
সূত্রমতে, টাওয়েল রফতানির জন্য বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স চুক্তির ভিত্তিতে বিদেশ থেকে ঋণপত্র সংগ্রহ করে। ওই ঋণপত্র ব্যাংকে বন্ধক রেখে ঋণ নেয় পণ্য তৈরির জন্য। রফতানির মূল্য দেশে আসার পর ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করার কথা। কিন্তু বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের নামে যে ঋণপত্র আসে তা ছিল ভুয়া। আর সে ভুয়া ঋণপত্র দিয়ে টাকা বের করে নেয় অখ্যাত এ প্রতিষ্ঠানটি। এতে দেশের বেসরকারি খাতের প্রাইম, প্রিমিয়ার, যমুনা ও শাহজালাল ব্যাংক ফেঁসে যায়। এসব ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ইস্কাটন শাখার ব্যবস্থাপক আসলামুল হক ও প্রধান কার্যালয়ের অ্যাসিসট্যান্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এভিপি) মো. গাফফারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই ঘটনায় সম্প্রতি যমুনা ব্যাংকের ব্যাংকের ডিএমডি ও দিলকুশা শাখার ব্যবস্থাপককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ওই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
