নালিতাবাড়ীতে বোরো রোপণে ব্যস্ত কৃষক

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২০
ডিজেল ও সেচযন্ত্রের ভাড়া বৃদ্ধি, শীতে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত চেল্লাখালি নদীর স্লুইসগেট না থাকাসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কৃষকরা বসে নেই। গত শনি ও রবিবার ২ দিন শীতের তীব্রতা কমায় ও কিছুটা রোদ থাকায় কৃষক কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে বোরো রোপণ করতে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, এবার উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ৫শ’ একর। এর মধ্যে হাইব্রিড জাত ১৩ হাজার ৭শ’ একর। উফসী জাতের ৩৮ হাজার ২৭৫ একর আর স্থানীয় জাতের মাত্র ২৫ একর। মোট ৫২ হাজার ৫০০শ’ একর। এতে উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে হাইব্রিড ২৬ হাজার ২২৫ মেট্রিক টন (চাউলে)। উফসী ৫৮ হাজার ৩৩২ মেট্রিক টন আর স্থানীয় জাতের ১৯ মেট্রিক টন। প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কৃষকের ব্যস্ততা দেখে মনে হচ্ছে, তারা এবার টার্গেটের চেয়েও বেশী পরিমাণ জমিতে বোরো আবাদ করবে। এলাকার কৃষকদের বড় একটি অংশ আসন্ন বোরো জমিতে সেচ দেয়া নিয়েও কিছুটা চিন্তিত । তারা জানায়, ফাল্গুণ-চৈত্র মাসে এই এলাকার অনেক জায়গায় পানির স্তর নীচে নেমে যায়। ফলে তখন আবাদি জমিতে সেচ দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কিছু কিছু জায়গায় আবাদি জমি সেচের অভাবে মরাও যায়। নানা শংকার মধ্যেও বসে নেই কৃষক। তারা পুরোদমে চাষাবাদ করে যাচ্ছে।