কুমিল্লায় ইউপি সদস্যের মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাংচুর

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১১
কুমিল্লায় ডাক্তারের অবহেলায় নূরুল আমিন(৪৫) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের মৃত্যুর অভিযোগে গতকাল সোমবার ইস্টার্ণ মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভাংচুর চালায় স্থানীয় এলাকাবাসী। এ হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। বুড়িচং উপজেলার কাবিলা এলাকায় এ হাসপাতালটি অবস্থিত। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কেউ মামলা দায়ের করেনি বলে পুলিশ জানিয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও রোগীর স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, মো. নূরুল আমিন গতকাল সকালে বুকে ব্যথার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তাত্ক্ষণিকভাবে ইস্টার্ণ মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোগীর স্বজন মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, আবুল কালাম, জাকির হোসেনসহ অন্যরা জানান, যথাসময়ে সুষ্ঠু চিকিত্সা না দিয়ে মুমূর্ষু ওই রোগীকে মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণের কাজে সময়ক্ষেপণের কারণে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তারা আরো অভিযোগ করে জানান, নিহতের মৃতদেহ বাড়ি নেয়ার জন্য ওই হাসপাতালের নির্বাহী জাহাঙ্গীর আলমের কাছে একটি অ্যাম্বুলেন্স চাইলে তা না দেয়ার বিভিন্ন অজুহাত দেখাতে থাকেন। এ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রোগীর স্বজনদের মাঝে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওই হাসপাতালে হামলা চালায়। এ সময় একটি মাইক্রোবাসসহ হাসপাতালের আসবাবপত্র, টিভি ও অন্যান্য জিনিসপত্র ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় মাইক্রোবাস চালক মাইনুদ্দিন (৩৫), স্থানীয় যুবক মাছুদুল হক (৩২)সহ কমপক্ষে ৫ জন আহত হন। হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহ মো. সেলিম হাসপাতাল ভাংচুরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।