পশ্চিমের ৭ জেলায় কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানো বন্ধ হচ্ছে না। পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, যশোর, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলায় ইট ভাটার সংখ্যা ৬শ’র উপর। এরমধ্যে অধিকাংশ ইটভাটায় কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানো হচ্ছে। অন্তত ৫শ’ ভাটাতে কাঠ পুড়ছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা ও কাঠ জব্দ করেও ভাটা মালিকদের কাঠ পোড়ানো থামানো যাচ্ছে না। এখনও প্রায় দেড়শ’ ইটভাটায় ব্যারেলের চিমনি রয়েছে। ইটভাটাগুলোর বেশির ভাগের লাইসেন্স নেই। তারা আইন-কানুনের তোয়াক্কা করে না। কৃষকের অভাবের সুযোগে জমির উপরের মাটি কিনে নিচ্ছে। কৃষি জমিতে ভাটা তৈরি বা সমপ্রসারণ করছে। ঝিনাইদহ চেম্বার সভাপতি ইট ব্যবসায়ী মাহমুদুল ইসলাম ফোটন জানান, ইট পোড়ানোর ক্ষেত্রে কয়লার থেকে কাঠের খরচ বেশি। কিন্তু কাঠের সহজলভ্যতা ও কয়লার মিস্ত্রির অভাব এবং দূরাঞ্চল থেকে আনার কারণে ভাটা মালিকরা কয়লা ব্যবহারে আগ্রহী হয় না। অনুসন্ধানে দেখা যায়, একমাত্র ঝিনাইদহ জেলাতে ১৩২টি ইটভাটাতে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে ১০৭ ভাটার কোন অনুমোদন নেই। কাঠ চেরার জন্য ৯টি ইটভাটায় করাত কল বসানো হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগের পরিচালক তরুন কুমার সিকদার জানান, বুধ ও বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় প্রশাসনের সহায়তায় ১৪ ভাটাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও কাঠ জব্দ করেছে। অন্যান্য জেলাতেও অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি জানান, হাতেগোনা কয়েকটি ভাটায় কয়লা দিয়ে ইট পোড়ানো হয়।
