খুলনা ও বরিশাল শিক্ষা উপ-অঞ্চল নিয়ে গঠিত গোলাপ অঞ্চল জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া সমিতির ৪২তম শীতকালীন ক্রীড়া আসরের অ্যাথলেটিক্সেও শ্রেষ্ঠত্ব অক্ষুণ্ন রেখেছে। গোলাপ অঞ্চল এ নিয়ে ছয়বার শিরোপা জিতলো।
সিলেট স্টেডিয়ামে তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে গোলাপ অঞ্চল ২৪৪ পয়েন্ট পেয়ে এ কৃতিত্ব দেখায়। রানার্সআপ হয় ঢাকা ও ময়মনসিংহ শিক্ষা উপ-অঞ্চল নিয়ে গঠিত পদ্ম অঞ্চল। তাদের অর্জিত পয়েন্ট ১৬২। এছাড়া ১১৭ পয়েন্ট পেয়ে রাজশাহী ও রংপুর শিক্ষা উপ-অঞ্চল নিয়ে গঠিত চাঁপা অঞ্চল হয়েছে তৃতীয়।
বালক বড় গ্রুপে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও ইসলামিয়া স্কুলের ছাত্র মোহাম্মদ বাহার উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলার জয়নগর বাজার হাজী গনি বকস স্কুলের ছাত্র মোঃ শহিদুর রহমান, বালক মধ্যম গ্রুপে নড়াইল জেলার লোহাগাড়া পাইলট স্কুলের ছাত্র মোঃ ঈশান হোসেন, জামালপুর জেলার নিশ্চিন্তপুর আলিম মাদ্রাসার ছাত্র ইব্রাহিম খলিল, বালিকা বড় গ্রুপে খুলনা জেলার দীঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক স্কুলের ছাত্রী শরিফা খাতুন, রংপুর জেলার খামার মনিরাম বালিকা স্কুলের ছাত্রী ছামেলি খাতুন, বালিকা মধ্যম গ্রুপে সিরাজগঞ্জ জেলার মাওলানা সাইফুদ্দিন এহিয়া স্কুলের ছাত্রী চাঁদ বানু খাতুন, ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ পাইলট বালিকা স্কুলের ছাত্রী নাসরিন আক্তার যথাক্রমে ব্যক্তিগত চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হন।
এছাড়া খুলনা জেলার এপেক্স মাধ্যমিক বালিকা স্কুলের ছাত্রী সাবিহা আল সোহা দ্রুততম ছাত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। খুলনার ভৈরব পাড়ের চন্দনি মহল গ্রামের সোহা ২০০ মিটার সিপ্রন্টেও প্রথম হন। ১০০ মিটার সিপ্রন্টে অন্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বি একই জেলার দীঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক স্কুলের ছাত্রী শরিফা খাতুন দ্বিতীয় এবং রংপুর জেলার খামার মনিরাম বালিকা স্কুলের ছাত্রী ছামেলি খাতুন তৃতীয় স্থান পান।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তোফাজ্জল হোসেন বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া সমিতির সম্পাদক ফারহানা হক, যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মাউসি খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোঃ জাকির হোসাইন, রংপুর জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আবু জাফর, সিরাজগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. ইয়াছিন আলী, খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. জিল্লুর করিম, সিলেট জেলা ক্রীড়া অফিসার মনোরঞ্জন দে সহ ক্রীড়া কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
