মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র হচ্ছে :বিএনপি

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:২৪
প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে ১ লাখ ৫ হাজার ব্যক্তি মুক্তি পেয়েছে। ২৭ জন ফাঁসির আসামিকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। অথচ জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ২৫টি মামলা দিয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই জিয়া চ্যারিটেবল মামলা করা হয়েছে। নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টে বাইরের লোকেরা সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। এখানে সরকারের কোনো টাকা নেই, স্বার্থও নেই। ট্রাস্টের টাকা যথাযথভাবে খরচ হলেও সরকার এ মামলা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমলে নিয়েছে। আপনাদের এ খায়েশ ১৮ দলীয় জোট কখনো পূরণ হতে দেবে না। তিনি আরো বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামিন পাওয়ার পরও একের পর এক মিথ্যা মামলা দেখিয়ে শ্যোন এ্যারেস্ট করা হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণরূপে জবরদস্তি, বেআইনী ও অন্যায় বলে আমরা মনে করি। মানবপ্রাচীর কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সরকারের প্রতি গণঅনাস্থা জানিয়েছে। কিন্তু তারপরও সরকারের চৈতন্য উদয় হচ্ছে না। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগ করতে ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের কাছে তিনি আহবান জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, সাদেক হোসেন খোকা, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, রুহুল কবির রিজভী, আব্দুস সালাম, খায়রুল কবির খোকন, জামায়াতের ঢাকা মহানগর শাখার সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ ।