যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখতে ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের দু’জন প্রভাবশালী কংগ্রেস সদস্য বেটি ম্যকুলাম এবং অ্যাডাম স্কিফ- এর সাথে বৈঠক করে জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখার আহবান জানান। পাশাপাশি মিশন উপ-প্রধান মুহাম্মদ আবদুল মুহিত এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক উর্ধ্বতন পরিচালক নিকোলাস ডিন-এর সাথে আলোচনা করেছেন।
দুই কংগ্রেস সদস্যের সাথে বৈঠককালে রাষ্ট্রদূত বলেন, জিএসপি সুবিধা তুলে নেয়া হলে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিপর্যয় নেমে আসার শংকা রয়েছে। তার মতে, যদিও বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাক জিএসপি সুবিধার আওতার বাইরে তারপরও সুবিধা তুলে নেয়া হলে তা সার্বিক রফতানি বাণিজ্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
আলোচনাকালে রাষ্ট্রদূত কংগ্রেস সদস্যদের কাছে শ্রমিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সর্ম্পকে অবহিত করেন। তাদেরকে জানানো হয়েছে যে, ইতিমধ্যে কারখানার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধান বাস্তবায়নে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন, তৈরি পোশাক শিল্প ও ইপিজেডে শ্রমিকদের সম্মিলিত দর কষাকষির অধিকার প্রদান, শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, দৈনন্দিন ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী শ্রমিকদেরকে বিশেষ ভর্তুকিকৃত মূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। কংগ্রেস সদস্যরা জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা চালাবেন বলে আশ্বাস দেন।
মিশন উপ-প্রধান মুহিত মার্কিন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিকোলাস ডিন-এর সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শ্রম ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। এএফএল-সিআইও কর্তৃক ইউএসটিআর-এর নিকট দাখিলকৃত পিটিশনের জবাব তৈরি করতে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
