চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপকূলীয় জালিয়াখালী বাজার, বড়ঘোনা, গন্ডামারা, ছনুয়া, শেখেরখীল, ফাঁড়ির মুখ, বাংলাবাজার, মনকিচরসহ বিভিন্ন এলাকায় চলতি বছর অসংখ্য ট্রলার ও ফিশিং বোট নির্মাণ করা হচ্ছে। পাহাড়ী গাছ দিয়ে তৈরি করা এসব ট্রলারের কোন অনুমোদন নেই। প্রতিবছর চলতি মৌসুমে বাঁশখালীর সাগর উপকূলে অনুমোদনবিহীন অসংখ্য ট্রলার তৈরি করে সাগর ও নদীতে নামানো হলেও দেখার কেউ নেই। বাঁশখালীর জালিয়াখালী নতুন বাজার এলাকায় বর্তমানে মোস্তফা আলী মাঝি ও সহযোগীরা অবৈধভাবে পাহাড়ী গাছ দিয়ে ফিশিং ট্রলার নির্মাণ করে আসছে। বিগত একমাস ধরে তৈরি করা এই ট্রলারের কোন অনুমোদন না থাকলেও বনবিভাগকে ম্যানেজ করেই এসব ফিশিং ট্রলার তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, বাঁশখালী পৌরসভার দক্ষিণ জলদী আশকরিয়াপাড়া এলাকার রশিদ আহমদের ছেলে মোস্তফা আলী মাঝি ও তার সহযোগী একই এলাকার করম বক্সের ছেলে শাহ আলমের যোগসাজশে বিগত একমাস ধরে জালিয়াখালী বাজার এলাকায় একটি বিশাল আকারের ফিশিং ট্রলার নির্মাণ করছে। তার আরো একটি ফিশিং ট্রলার থাকলেও কোন সরকারি অনুমোদন নেই। স্থানীয় লোকজন জানান, বন বিভাগের লোকজনকে ম্যানেজ করে কমপক্ষে ৩০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যমানের দামি পাহাড়ি গাছ কেটে ফিশিং ট্রলারটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি নির্মাণ শেষ হতে আরো কমপক্ষে ১ মাস সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এব্যাপারে ট্রলারটির মালিক মোস্তফা আলী মাঝি নিজেই পুলিশ ও বন বিভাগকে ম্যানেজ করার কথা স্বীকার করে বলেন, ট্রলারটি নির্মাণেও পূর্বেই টাকা দিয়ে থানা পুলিশের টোকেন সংগ্রহ করার পাশাপাশি বন বিভাগকেও ম্যানেজ করা হয়েছে। সরকারি অনুমোদন নিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে পুলিশের টোকেন আছে।
