ফরিদপুরে চম্পা হত্যা

এক মাসেও গ্রেফতার হয়নি মূল আসামি, পুন:ময়না তদন্ত রিপোর্ট প্রদানে দেরি

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৩
ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাই-পুর ইউনিয়নের কাশিমাবাদ গ্রামের মেধাবী স্কুল ছাত্রী জাকিয়া আক্তার চম্পা (১৫) হত্যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার মূল আসামি শামীমকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অপরদিকে পুনঃময়না তদন্তকারী মেডিক্যাল টিমের ব্যাপারে অভিযোগ উঠেছে ভিসেরা রিপোর্টের জন্য আলামত ঢাকায় পাঠানোর নামে সময় ক্ষেপণ করছেন তারা। এদিকে মূল আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় এবং এখনো পুনঃ ময়না তদন্ত রিপোর্ট না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন চম্পার বড় ভাই ও মামলার বাদী হাসিবুল। গত ১৩ ডিসেম্বর চাচাতো বোন পপির গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান থেকে নিখোঁজ হয় চম্পা। পরদিন সকালে গ্রামের একটি মেহগনি বাগানে গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় চম্পার লাশ উদ্ধার করে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে চম্পার ভাই হাসিবুল। কয়েকটি এনজিও ও নারী সংগঠন এবং পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে ধর্ষণ ও হত্যার আলামত পাওয়া গেলেও ময়না তদন্ত রিপোর্টে চিকিত্সক ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করে। পরে আদালতে ময়না তদন্তের রিপোর্টের আপত্তি জানানো হলে আদালতের নির্দেশক্রমে পুনঃতদন্তের জন্য চম্পার লাশ উত্তোলন করা হয়। পুনঃময়না তদন্তকারী মেডিক্যাল টিম প্রথম ময়না তদন্তকারী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার দাসের প্রতিবেদন বহাল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মেডিক্যাল টিম ভিসেরা রিপোর্টের জন্য চম্পার আলামত ঢাকায় পাঠিয়েছে। এদিকে চম্পা হত্যার ঘটনায় আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিক্ষুব্ধ ফরিদপুরবাসী। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক আবুল খায়ের জানান, পুনঃময়না তদন্ত প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি, আসামিদের গ্রেফতার করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।