রংপুরের কাউনিয়া থানার এসআই খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হওয়ায় তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। রংপুরের পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাক পিপিএম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, যেহেতু মামলা হয়েছে তাই অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে ধর্ষককে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা চত্বরে ও কাউনিয়া বাসস্ট্যান্ডে বিক্ষোভ এবং মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
জানা যায়, উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যা রওশন আরার স্বামী যুবলীগের আহ্বায়ক জমসেদ আলী ও তার ভাসুরের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৮ আগস্ট কাউনিয়া থানায় একটি মামলা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কাউনিয়া থানার এসআই খায়রুল আলম দায়েরকৃত মামলা থেকে ইউপি সদস্যা রওশন আরার স্বামী ও ভাসুরের নাম বাদ দিতে রওশন আরাকে মোবাইল ফোনে সংবাদ দেন। সংবাদ পেয়ে রওশন আরা কাউনিয়া থানায় উপস্থিত হলে খায়রুল আলম তাকে কুপ্রস্তাব দেন। পরে রওশন আরা চার্জশিটের কপি নিতে বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত হলে এসআই খায়রুল আলম কৌশলে তাকে কার্যালয়ের ২য় তলায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। পরে রওশন আরা গত ১৩ জানুয়ারি রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন। এ ব্যাপারে কাউনিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মজিবর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত কোন ধরনের অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
