বরগুনা শহরের পশু হাসপাতাল সড়কে বুধবার রাতে বড় সতীন ছোট সতীনকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে পায়ের রগ কেটে দিয়েছে। বিষয়টি শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। আহত সতীন সুখী বেগমকে আশংকাজনক অবস্থায় বরিশাল মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। পরে বড় সতিন লিপি বেগম থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার বরগুনা থানার ডিউটি অফিসার এসআই ওবায়দুল জানান, এ ব্যাপারে বড় সতিন লিপি বেগম, স্বামী বেল্লাল হোসেন ও তার বাবা আবদুল কুদ্দুসকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, বরগুনা জজ আদালতের পিয়ন পিটিআই সড়কের বেলাল হোসেনের ৫ স্ত্রীর মধ্যে এ দু’জন বর্তমানে সংসার করছেন। দীর্ঘদিন পারিবারিক ঝগড়ার প্রতিহিংসার প্রতিশোধ নিতে লিপি বেগম তার ছোট সতীন সুখি বেগমকে হাসপাতাল সড়কে একা পেয়ে এলোপাথাড়ী কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। এতে তার পায়ের রগসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে যায়।
