উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে দীর্ঘদিন ধরে চিকিত্সক অনুপস্থিতির কারণে ওয়ার্ডগুলো রোগী শূন্য হয়ে পড়ছে। উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষের চিকিত্সা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নির্মাণ করা হয়। সরবরাহ করা হয় সব ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ৯ জন চিকিত্সকের স্থলে ২ জন চিকিত্সক চিকিত্সা সেবা দিয়ে আসছেন। রোগীদের মূলত ওয়ার্ড বয়, আয়া, ল্যাব এ্যাসিসটেন্টরা চিকিত্সা প্রদান করে থাকেন। দূর-দূরান্ত থেকে আগত রোগীরা কমপ্লেক্সটিতে আসলেও চিকিত্সা না থাকায় তারা ভর্তি হয়েও বাড়ি চলে যাচ্ছেন। ফলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি রোগীশূন্য হয়ে পড়ছে।
এদিকে প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে হাসপাতালটির পরিবেশ অসহনীয় হয়ে পড়েছে। অপর দিকে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করে ভবন নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘ ২ বছরেও তা উদ্বোধন করা হয়নি।
