ময়মনসিংহে মাদক ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, পুলিশের গাড়িতে হামলা, ধারালো অস্ত্রাঘাতে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুই পুলিশ মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে শহরের বাঘমারা আবাসিক এলাকায় এ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ ঘটে। কোতোয়ালী মডেল থানার এস আই ফারুকুজ্জামান পুলিশের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও পুলিশের গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় গতকাল শুক্রবার শহরের বাঘমারা এলাকার এজাহারভুক্ত ৩০ জনসহ দুইশতাধিক এলাকাবাসীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে এবং ১৩ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়। এ সময় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি ধারালো অস্ত্রাঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হন কোতোয়ালী মডেল থানার এক এসআইসহ পুলিশের দুই সদস্য। আশংকাজনক অবস্থায় এসআই মোস্তাফিজুর রহমান ও গাড়িচালক কনস্টেবল হাসানকে বৃহস্পতিবার রাতেই ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কোতোয়ালী থানার ওসি ফজলুল করিম সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় বাঘমারা এলাকায় যুবদলের মিনহাজুল ইসলাম রাসু ও ছাত্রদলের তানভির আহমেদের মধ্যে মাদক ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে দুই গ্রুপে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে রাসু ও তানভির গ্রুপের মধ্যে সশস্ত্র অবস্থায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুই গ্রুপের মাঝখানে থাকা পুলিশকে একদল সন্ত্রাসী রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। এ ঘটনায় মিনহাজুল ইসলাম রাসেল (৩০), নজরুল ইসলাম (৩৫), ইকবাল হোসেন (৩০), রমজান আলী (৬০), আনিস (২২), রুবেল (৩৫), বাপ্পি (২৫), সোহেল (২৮), শাহাজাদা (২৭), সুজিত (২৭), বাবু মিয়া (২১), সরোয়ার (২২) ও বাবুকে (২৩) পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
