মাগুরছড়ার ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দুটি পদ্মা সেতু করা যেত

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১৮
তেল, গ্যাস, বিদ্যুত্, বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ বলেছেন, এই কমিটি জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলন করছে। মাগুরছড়া গ্যাসফিল্ডের ক্ষতিপূরণ হিসেবে কনোকোফিলিস ও ন্যাভলোন নামক ২টি কোম্পানির কাছ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব ছিল; কিন্তু সরকার সে ব্যাপারে উদাসীন। অথচ এ ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দুইটি পদ্মা সেতু করা সম্ভব ছিল। বর্তমান সরকার একদিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলছে, অন্যদিকে দেশের জাতীয় সম্পদ সাম্রাজ্যবাদের দোসরদের হাতে তুলে দিচ্ছে। গতকাল শুক্রবার সকালে নড়াইল ক্লাবে তেল-গ্যাস, বিদ্যুত্, বন্দর রক্ষা নড়াইল জেলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তেল-গ্যাস, বিদ্যুত্, বন্দর রক্ষা নড়াইল জেলা কমিটির আহবায়ক প্রফেসর আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য কমরেড বিমল বিশ্বাস, সিপিবি’র জেলা সভাপতি খন্দকার শওকত হোসেন, নড়াইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার এডভোকেট এসএ মতিন, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক এডভোকেট নজরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দিলারা বেগম, এডভোকেট বনমালী মিত্র, সিপিবি নেতা বিএম বরকতউল্লাহ প্রমুখ।