রসায়ন

সব চিত্র পেন্সিল দিয়ে আঁকবে

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৩, ১৭:৫৫
সুপ্রিয় পরীক্ষার্থীবৃন্দ রসায়ন বিষয়ে ভালো করতে হলে (১) পাঠ্যবই খুব ভালো করে বুঝে পড়তে হবে। পাঠ্য বইয়ের কোন অংশ বুঝতে অসুবিধা হলে বিষয় শিক্ষকের সহায়তা নেবে, না বুঝে মুখস্থ করবে না। (২) বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের বিশেষ বিশেষ অংশ থাকে যার ওপর ভিত্তি করে সৃজনশীল প্রশ্ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেই অংশগুলো চিহ্নিত করে বেশি বেশি অনুশীলন করতে হবে। যেমন : জারণ-বিজারণ, বিক্রিয়ার শ্রেণীবিভাগ, লা-শাতেলীয়ের নীতি... (৩) যে সকল প্রশ্নের উত্তর নির্ভুলভাবে দেয়া সম্ভব সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখার জন্য নির্বাচন করতে হবে সেই সঙ্গে সবচেয়ে ভালো জানা উত্তরটি পরীক্ষার খাতায় সবার আগে লিখতে হবে। (৪) প্রশ্নে যা চাওয়া হয় তা যথাযথভাবে লিখতে হবে। উত্তর প্রাসঙ্গিক হতে হবে। অবান্তর ও অপ্রয়োজনীয় বিষয় উত্তরে লিখবে না। (৫) নৈর্ব্যক্তিক অভিক্ষা (M.C.Q) ভালো নম্বর পেতে হলে পাঠ্য বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় খুব ভালো করে বুঝে বুঝে পড়তে হবে সেই সঙ্গে জ্ঞানমূলক অংশসমূহ মুখস্থ করতে হবে। সব চিত্র পেন্সিল দিয়ে আঁকবে। প্রশ্ন লেখার আগে প্রশ্ন নং লিখে সাইন পেন দিয়ে নিচে দাগ দিবে। যেমন- ১(ক), ১(খ), ১(গ), ১(ঘ) যে প্রশ্নের উত্তরটি ভাল জানা থাকবে সে প্রশ্নের উত্তরটি দিয়ে লেখা শুরু করবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে লিখবে। ১) রসায়ন বইটি প্রতি লাইন বুঝে পড়তে হবে। উদ্দীপক ভালভাবে বারবার পড়তে হবে। ২) ক বিভাগের জ্ঞানমূলক প্রশ্নগুলি স্মৃতি নির্ভর বলে মুখস্থ লিখতে হবে। বিভিন্ন সূত্র ও তত্ত্ব মুখস্থ করতে হবে। ৩) খ বিভাগের অনুধাবন প্রশ্নের উত্তর করতে হলে অন্তত ৪ লাইন লিখতে হবে, এক্ষেত্রে বলতে কি বুঝ, কেন, অথবা ব্যাখ্যা কর, বিষয়ের কারণ, এ বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে। ৪) গ বিভাগের প্রশ্নগুলি প্রয়োগ স্তরের প্রশ্নগুলি উদ্দীপকের ওপর নির্ভরশীল। তাই এদের গাণিতিক ব্যাখ্যা দিতে অথবা বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিতে হয়, এ সকল প্রশ্নের উত্তরে পাঠ্য বই-এর গাণিতিক ব্যাখ্যাগুলো ভালে েকরে বুঝে পড়তে হবে। যেমন - কি ধরনের রাসায়নিক সূত্রকে সমর্থন করে, স্থূল সংকেত, আণবিক সংকেত নির্ণয়, পর্যায়, গ্রুপ নির্ণয়, জারণ-বিজারণ যুগপত্ ঘটনা ব্যাখ্যা বিভিন্ন ধরনের ধাতু নিষ্কাশন, প্রস্ততি, বিক্রিয়া ইত্যাদি। ৫) রসায়নের প্রতীক, সংকেত, যোজনী, পারমাণবিক ভর, পারমাণবিক সংখ্যা, ইলেকট্রন বিন্যাস,পর্যায় সারণীর গ্রুপ, পর্যায়, সক্রিয়তার সিরিজ মনে রাখতে পারলে রসায়নের উত্তর লিখতে সুবিধা হয়। ৬) ঘ বিভাগের প্রশ্নগুলি হলো উচ্চতর দক্ষতা। এ সকল প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষার্থীর কোন বিষয় বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা যাচাই করা হয়। তাই রসায়ন বইটি প্রতি লাইন বুঝে পড়লে এ সকল প্রশ্নের উওর করা যায়। ৭) মোট সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখবে, রসায়নে ৬টি প্রশ্নের মধ্যে ৪টির উত্তর করতে হয়। প্রতিটি প্রশ্ন সেটের জন্য (১২০/৪=৩০মি.) ৩০মিনিট সময় পাবে। তাই ৩০ মিনিটকে (১+৪+১২+১৩) এভাবে ভাগ করে যথাক্রমে ক, খ, গ, ঘ প্রশ্নগুলির উত্তর দিবে।