হিন্দুধর্ম শিক্ষা

তথ্য ও প্রশ্নের উক্তির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রাসঙ্গিক উত্তর লিখতে হবে

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৩, ১৭:৫৭
প্রশ্ন কাঠামো : সৃজনশীল প্রশ্ন-৬০ নম্বর, বহুনির্বাচনী প্রশ্ন-৪০ নম্বর, সর্বমোট- ১০০ নম্বর। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তম উত্তরের জন্য পদক্ষেপসমূহ: এ বিষয়টির মধ্যে সর্বমোট দশটি অধ্যায় রয়েছে। অধ্যায়গুলো তিনটি অংশে বিভক্ত থাকে। ক- অংশ, খ-অংশ এবং গ-অংশ। ৩টি অংশ থেকে মোট ৯টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি অংশ থেকে ১টি করে ৬টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী নিজে অধ্যায় নির্বাচন করবে। নির্বাচিত অধ্যায়গুলো ভালো করে বুঝে অনুশীলন করবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ এবং এতে ক, খ, গ, ঘ থাকবে। ‘ক’ -এ রয়েছে ১ নম্বর এবং এর উত্তর হুবহু বই-এর সংশ্লিষ্ট অধ্যায়টিতে পাওয়া যাবে। এটির উত্তর এবং এক কথায় লিখতে হবে। এটি জ্ঞানের প্রশ্ন। লম্বা উত্তর গ্রহণযোগ্য হবে না। এক কথায় সঠিক উত্তরের জন্য পূর্ণ ১ নম্বর পাবে। ‘খ’ -এ রয়েছে ২ নম্বর। এর উত্তর যথোপযু্ক্ত হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীকে উদ্দীপক ভাল করে পড়তে হবে; কিন্তু উদ্দীপকের বাক্য লেখা যাবে না। এটি অনুধাবনের প্রশ্ন। প্রশ্ন অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক উত্তর হতে হবে। জ্ঞান এবং জ্ঞানের সঠিক ব্যাখ্যা লিখতে পারলেই পূর্ণ ২ নম্বর পাবে। এর পর ‘গ’- এটি প্রয়োগের প্রশ্ন। এতে রয়েছে ৩ নম্বর। অনেক শিক্ষার্থী ঘুরিয়ে ফিরিয়ে উদ্দীপকটিকেই লিখে। প্রাসঙ্গিক উত্তর থেকে অনেক দূরে সরে যায়। এতে করে পূর্ণ ৩ নম্বর পাওয়া যাবে না। ‘ক’ এবং ‘খ’-এর উত্তরের আলোকেই এর প্রাসঙ্গিক উত্তর হবে। প্রতিটি বাক্যের সাথে উত্তরের মিল রেখে গুছিয়ে লিখতে হবে এবং প্রশ্নের প্রসঙ্গেই উত্তরের সমাপ্তি হবে। ‘ঘ’-এটি উচ্চতর দক্ষতার প্রশ্ন। জ্ঞান, জ্ঞানের ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগ- এগুলোর সাথে সম্পর্কিত কোনো তথ্য- অন্য অধ্যায়ের কোনো তথ্যের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। তাই খুব মনোযোগী হয়ে উদ্দীপকটি পড়তে হবে। অতঃপর উদ্দীপকের তথ্য ও প্রশ্নের উক্তির সঙ্গে সম্মতি রেখে প্রাসঙ্গিক উত্তর লিখতে হবে। বহুনির্বাচনী উত্তরের ক্ষেত্রে সিলেবাসের প্রতিটি অধ্যায় পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে অনুশীলন করতে হবে। জীবন চরিত সম্পর্কিত অধ্যায়গুলোর সঠিক সাল, তারিখ এগুলো মুখস্থ করে মনে রাখতে হবে। কি, কোথায়, কেন? এ ধরনের প্রশ্নের উত্তরের জন্য অধ্যায়গুলো মনোযোগ সহকারে রপ্ত করতে হবে।