বাঁকখালী নদীতীরের ভাঙনের কারণে শহরের মূল্যবান জমিজমা বসতবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ঢলে স্রোতে ভাঙন তীব্র হলেও এবার শীতকালে এ ভাঙন দেখা দিয়েছে।
প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর দুই তীরের বাসিন্দাদের মধ্যে আতংক দেখা দেয়। পাহাড়ি ঢলের তোড়ে বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মূল্যবান জমিজমা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। শত শত মানুষ হয়ে পড়ে গৃহহীন। মূল্যবান জমিজমা ও মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁইটুকু হারিয়ে অনেকেই একেবারে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ে। একপাড় ভেঙ্গে ওপারে চর জাগলেও অসহায়দের কপালে ওই জমি জুটে না। দখল করে নেয় প্রভাবশালীরা। এভাবে বাঁকখালী নদীর ভাঙনের শিকার হয়ে প্রতিবছর শতাধিক পরিবার বন-জঙ্গলে আশ্রয় নেয়।
কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য লুত্ফুর রহমান কাজল জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে কেবল কক্সবাজার ও রামুতেই অন্তত ৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এছাড়া ফসলি জমি, রোপিত ফসল, প্রাণহানীসহ অন্যান্য ক্ষতির পরিমাণ এর কয়েকগুণ। এখানে অবিলম্বে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করতে হবে। কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন জানান, কক্সবাজার শহরকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষার জন্য প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য স্থানেও বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
