বেসরকারি কলেজ-শিক্ষকদের অবসরের বয়স ৬৫ নির্ধারণ করার আবেদন

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৪
মুক্তিযোদ্ধা সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে সরকারি কলেজের মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষকগণও এ সুবিধা পাচ্ছেন। কিন্তু বেসরকারি কলেজের মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষকগণ তা পাচ্ছেন না। যদিও তাদেরই এ সুবিধা পাবার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার থাকা অধিকতর যুক্তিযুক্ত। কারণ সরকারি কলেজের শিক্ষকগণ তাদের চাকরিজীবনে চাকরির পূর্ণ নিশ্চয়তা, জাতীয় বেতন স্কেলের পূর্ণ আর্থিক সুবিধা ছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষাভবন, কারিকুলাম বোর্ড, শিক্ষাবোর্ডসমূহসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পদে পদায়নস পেয়ে থাকেন। এমনকি তাদের মধ্য থেকে সরকারের সচিব হবার নজিরও রয়েছে। এছাড়া তারা সরকারি আবাসিক সুবিধা এবং অবসরে গেলে পেনশনসহ যাবতীয় সুবিধা পেয়ে থাকেন। বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের এধরনের কোনো সুবিধাই নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের একমাত্র সম্বল সরকার প্রদত্ত টাকাটা। কারণ অনেক কলেজই এর বাইরে কোনো আর্থিক সুবিধা দিতে পারে না। উপরন্তু, ক্ষেত্রবিশেষে সরকার প্রদত্ত টাকা থেকে একটা অংশ কলেজ কর্তৃক কেটে নেয়ার নজিরও রয়েছে। বেসরকারি কলেজে কর্মরত মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষকদের বেশিরভাগ অবসরে চলে গেছেন অথবা মৃত্যুবরণ করেছেন। সারাদেশে তাদের সংখ্যা এখন কয়েকশ’ হবে কিনা সন্দেহ। আগামী দু’বছরের মধ্যে আরো অনেকেই অবসরে যাবেন। এরপর বেসরকারি কলেজে আর কোনো কর্মরত মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক পাওয়া যাবে না। আর তাই অনুগ্রহ করে বেসরকারি কলেজে কর্মরত মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষকদের অবসরের বয়সসীমা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো ৬৫ বছর নির্ধারণের জন্য সরকারের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। মো. মনিরুল ইসলাম অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, তেজগাঁও কলেজ, ঢাকা।