...ঐ জলকে চলিল কার ঝিয়ারি
রূপ চাপে না তার নীল শাড়ি...
জাতীয় কবি, বিশ্বকবি ও সেরা কবিগণ তাদের কল্পনায় বেশিরভাগ সময়েই নারীকে সাজিয়েছেন এক প্যাঁচের শাড়িতে। নারীদের মাঝে লোকজ ভাবটিকে ফুটিয়ে তুলতে এক প্যাঁচে শাড়ির তুলনা নেই। সাধারণত বিভিন্ন উত্সব অনুষ্ঠানে এ ধরনের শাড়ি পরতে দেখা যায়। পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন, হলুদ ও বিয়ের অনষ্ঠানে তরুণীরা এক প্যাঁচে শাড়ি পরতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কারণ, এক প্যাঁচের শাড়ি মানে শতভাগ বাঙালিয়ানা। তবে ধারণা করা হয়, এ স্টাইলের শাড়ি পরা শুরু হয় রাজস্থান থেকে। শাড়ি পরার ঢংয়ে বৈচিত্র্য আনতে জেনে নিন এক প্যাঁচে শাড়ি পরার পদ্ধতি।
মনে রাখুন
এক প্যাঁচের শাড়ির সঙ্গে ঘটি হাতার ব্লাউজ বেশি মানানসই।
থ্রি-কোয়ার্টার হাতার ব্লাউজও পরতে পারেন।
ব্লাউজের হাতায় কুচি ও লেস লাগাতে পারেন।
ছবি সৌজন্যে রঙ
প্রথম ধাপ
এক প্যাঁচে শাড়ি পরতে প্রথমেই শাড়িটি একটু উঁচু করে কোমরের ডান দিকে গুঁজে দিন। এরপর বাম দিক হয়ে ডান দিকে ঘুরে এনে আবার গুঁজে দিতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ
এরপর বাম দিকে গুঁজে দিতে হবে। আবার উল্টিয়ে কোমরের ডান দিকে গুঁজে দিন।
তৃতীয় ধাপ
এবার কোমরের ডান দিক থেকে শাড়িটি ভাঁজ করে বা কাঁধের উপর দিয়ে ডান হাতের নিচে নিয়ে আসুন।
চতুর্থ ধাপ
আঁচলসহ শাড়িটি চাইলে কোমরেই পেঁচিয়ে দিতে পারেন। আবার আঁচলটিকে ভাঁজ ভাঁজ করে ডান কাঁধের উপর রেখে দিতে পারেন।
