গতকাল সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আবারো পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। দেশের প্রধান এ শেয়ার বাজারে গতকাল লেনদেন হয়েছে ১০১ কোটি টাকা। এর আগে ২০০৮ সালের ৮ জানুয়ারি সর্বনিম্ন লেনদেন ছিল ৮১ কোটি টাকা। অর্থাত্ গতকাল পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে গত ১৫ জানুয়ারি ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১০৪ কোটি টাকা। যা ছিল সেদিন পর্যন্ত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৫০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন বাজারে লেনদেন হয়েছে ১০১ কোটি ৫৭ লাখ ২১ হাজার ২০৭ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৬৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৭টির, কমেছে ১৫৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের। ডিএসইতে গতকাল ২৬৫টি কোম্পানির ৩ কোটি ৬ লাখ ১৬ হাজার ১২৪টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের হাত বদল হয়েছে।
লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসই’র প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো-ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, এনভয় টেক্সটাইল, ইউনিক হোটেল, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, আরএন স্পিনিং মিল, জেনারেশন নেক্সট, প্রাইম ব্যাংক, এনবিএল ও এসিআই ফর্মুলেশন। দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- এনসিসি ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড-১, এসিআই ফর্মুলেশন, এনএইচএলআইএল, পূরবী জেনারেল, ১ম বিএসআরএস, এপেক্স ট্যানারী, আইসিবি ১ম এনআরবি, হাক্কানী পাল্প, এইমস ১ম মিউচুয়াল ফান্ড ও রিলায়েন্স ১। অন্যদিকে দাম কমার ক্ষেত্রে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো-রেকিট বেঙ্কিজার, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, বঙ্গজ, জেনারেশন নেক্সট, পাওয়ার গ্রীড, আমরা টেকনোলজি, ন্যাশনাল পলিমার, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স ও সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৯২ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৫৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসই-৩০ মূল্যসূচক ৩৩ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৮৪১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৭৮ লাখ ১০ হাজার ৭১১ টাকা। লেনদেনকৃত ১৬৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৫টির, কমেছে ১১৬টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৮টি শেয়ারের দর।
