মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য (রুকন) আবুল কালাম আযাদকে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গতকাল সোমবার মৃত্যুদণ্ড দেয়ায় সারাদেশে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করে। বিভিন্ন স্থান থেকে এসব খবর পাঠিয়েছেন ইত্তেফাক স্টাফ রিপোর্টার, অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাগণ।
রাজধানীতে আনন্দ মিছিল
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রথম রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানীর দোয়েল চত্বর, প্রেসক্লাব, পল্টন, মোহাম্মদপুর, জিগাতলা, ধানমন্ডি, মিরপুরসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বহু সংগঠনের ব্যানারে আনন্দ মিছিল বের হয়। আনন্দ মিছিল শেষে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট দোয়েল চত্বরে আনন্দ মিছিল পূর্ব এক সমাবেশের আয়োজন করে। এতে বক্তারা চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার শেষ করে রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে বাচ্চু রাজাকারকে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে। সংগঠনের সহ-সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা ও অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ। বাচ্চু রাজাকারের মৃত্যুদণ্ডের খবরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আনন্দ মিছিল বের করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। সংগঠনের সহ-সভাপতি গোলাম কুদ্দুসের নেতৃত্বে মিছিলে নেতা-কর্মীরা আনন্দ-উল্লাস করতে থাকেন। এসময় উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাত তালি দিয়ে উত্সাহ যোগান।
১৪ দলের সন্তোষ
আমাদের রিপোর্টার জানায়, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ দমাতে ব্যাপক গণহত্যা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাটের মতো মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জামায়াতের সাবেক রুকন আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, এই রায় জনগণের প্রত্যাশিত। এটা জাতির জন্য নতুন মাইলফলক। এ রায় বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করবে। এদিকে রায় ঘোষণার পরপরই রাজধানীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বহু সংগঠন।
গতকাল সোমবার ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল-আলম হানিফ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রথম রায়ে ১৪ দলের নেতারা সন্তুষ্ট। এই বিচারে দেশবাসীর সমর্থন ছিল। এ জন্য আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। আমরা ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এই বিচার কাজ শুরু করেছি। কিন্তু এই বিচার কাজ বন্ধ করার জন্য জামায়াত-শিবির শুধু নয়, তাদের সাথে বিএনপিও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যম বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিলো। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আছে তারা দেশে বা বিদেশে যেখানেই থাকুক পর্যায়ক্রমে তাদের খুঁজে এনে বিচার করা হবে। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তরান্বিত করার দাবিতে আগামী ২৪ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাজধানীসহ ১৪ দল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে। মানববন্ধনে ঢাকা মহানগরীর রুট হলো গাবতলী থেকে শ্যামলী, আসাদ গেট, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর, রাসেল স্কয়ার, পান্থপথ, বসুন্ধরা, সোনারগাঁও, শাহবাগ, হাইকোর্ট, পল্টন, শহীদ নূর হোসেন চত্বর, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ইত্তেফাক মোড়, রাজধানী মার্কেট, সায়েদাবাদ হয়ে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত। তবে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ওই দিন খুলনায় রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকায় ১৪ দলের মানববন্ধনে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, গোপালগঞ্জ ও নড়াইল এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে বলে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সংসদ উপনেতা ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, জাসদের কার্যকরী সভাপতি মাঈনউদ্দিন খান বাদল এমপি, সাধারণ সম্পাদক শরীফ নূরুল আম্বিয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য বিমল বিশ্বাস, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, সাম্যবাদী দলের আবু হাসেম সাহাবুদ্দিন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের অসিত বরণ রায়, আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দের প্রতিক্রিয়া
বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণকে যে কথা দেয় তা রক্ষা করে। এ রায়ে এটাই প্রমাণ হয়েছে। আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন, জাতি আজ কলঙ্ক মুক্তির প্রথম ধাপে পা রেখেছে। আজ মনে হচ্ছে স্বাধীনতা যুদ্ধ যে কারণে করেছি তা বাস্তবায়ন হবে। স্বপ্ন পূরণ হবেই।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই রায় যুগান্তকারী। এই রায়ে এটাই প্রমাণ হয়েছে যে, অপরাধ করে কেউ পার পাবে না।
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, পুরো জাতি এত বছর ধরে এই রায়ের জন্য অপেক্ষা করছিল। এই রায়ের মাধ্যমে অপেক্ষার অবসান হলো। একাত্তরের মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের প্রথম রায়ে জামায়াতের সাবেক রুকন আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির আদেশের পর ট্রাইব্যুনাল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন।
ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য বিমল বিশ্বাস বলেন, এই রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিজয় হয়েছে। জাসদের কার্যকরী সভাপতি মাঈনউদ্দিন খান বাদল এমপি বলেন, এই রায়ের মধ্য দিয়ে আমাদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়েছে। বাংলাদেশ যে স্বাধীন, তার স্পষ্টতা ব্যক্ত হয়েছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরিফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি সরকার অতিদ্রুত এই রায় কার্যকর করতে ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজ ও সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, যুবলীগ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওছার, সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ, ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সন্তোষ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন।
রায় ঘোষণার পরপরই সেক্টরস কমান্ডারস ফোরাম একে স্বাগত জানিয়ে ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সামনে একটি মানববন্ধন করে। এ সময় ফোরামের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) এ কে এম সফিউল্লাহ বলেন, রায়ের জন্য আমাদের ৪১ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ৩০ লাখ শহীদের আত্মা আজ এতটুকু হলেও স্বস্তি পেয়েছে। ফোরামের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হারুন হাবিব বলেন, বাংলাদেশের জন্য আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। আশা করি অভিযুক্ত অন্যদের বিরুদ্ধেও অল্প সময়ে রায় ঘোষণা করা হবে। মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি এম সরওয়ার আলী, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ম হামিদ, মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুর রহমান বেনু, রাজনীতিবীদ অজয় রায়, ফোরামের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক কেয়া চৌধুরী প্রমুখ।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ মিছিল করেছে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন। ছাত্র লীগের সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগের সভাপতিত্বে ও ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক তানভীর রুসমতের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু, জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সামসুল ইসলাম, ছাত্রলীগেরসহ সভাপতি জয়দেব নন্দী। ইমাউল হক টিটু, মহিউদ্দিন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এইচএম আল-আমিন। পরে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগেও একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্র সমিতি, ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় ছাত্রঐক্য’র জোট হলো ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
স্টাফ রিপোর্টার জানান, গতকাল সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘জোট বাঁধো, তৈরি হও-সহিংসতা রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক ধারাবাহিক প্রতিবাদ অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, এই রায় ঘোষণার মধ্যদিয়ে ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। রায়ের জন্য আমরা আনন্দিত। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে জামায়াত এর গোলাম আযম, নিজামী, সাঈদী গংদের নির্দেশে লাখ লাখ মানুষ হত্যা, নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতেই আমাদের ৪০ বছর পেরিয়ে গেছে।
কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া রফিক, উম্মে হাসান ঝলমল, সুরক্ষা অগ্রগতি ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক জীবনানন্দ জয়ন্ত, কর্মজীবী নারীর সমন্বয়ক রাহেলা রাব্বানী, সানজিদা সুলতানা, নাসরিন আরা বেগম প্রমুখ।
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, “৩০ লাখ শহীদের আত্মাকে শান্তি দিয়েছেন জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরী শেখ হাসিনা। এযেন এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে”। বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায়ের পরে এমনই অভিমত ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে সর্বপ্রথম রাজাকারদের প্রতীকী ফাঁসি দেয়া নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা একেএম শামীম ওসমান। ২০০১ সালের মার্চ মাসে নারায়ণগঞ্জ পৌর পাঠাগারের সামনে যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম, সাঈদী, নিজামী, বাচ্চু রাজাকারসহ চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের প্রতীকী বিচারকার্য করে ফাঁঁসি দিয়েছিলেন তত্কালীন এই সাংসদ। ২০০০ সালের ১৬ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নামে কলা ভবন উদ্বোধনকালে তিনিই প্রথম নারায়ণগঞ্জের মাটিতে রাজাকার গোলাম আযমের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রতিক্রিয়াশীল ও মৌলবাদীদের টার্গেটে পরিণত হয়েছিলেন। গতকাল দৈনিক ইত্তেফাককে তার অনুভূতি ব্যক্ত করে শামীম ওসমান বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ পেলেও সেই যুদ্ধ শেষ হয়নি। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির জয় হয়েছিল আর তার যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরো একটি মুক্তিযুদ্ধের জয় হল। আমি বিশ্বাস করি, দেশের তরুণ প্রজন্ম শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবেন এই দিনটির জন্য। কারণ, ৪২ বছর ধরে মুক্তিযোদ্ধা ও কোটি কোটি দেশ প্রেমিক সাধারণ মানুষের যে দাবি ছিল, এ রায়ের মাধ্যমে তা পূরণ হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর নারায়ণগঞ্জের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা। এছাড়া শহরে মিছিল করেছে শহর যুবলীগের নেতা-কর্মীরা।
দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরের ২নং রেল গেট এলাকা হতে শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জ্বলের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে যুবলীগ নেতা আবু সুফিয়ানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ আদালত পাড়ায় জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান দিপুর নেতৃত্বে মিছিলটি আদালত পাড়া প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
চট্টগ্রাম অফিস জানান, বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় ঘোষিত হওয়ায় চট্টগ্রামে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ-সংগঠন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে গতকাল সোমবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল, সমাবেশ ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এছাড়াও একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এই রায় ঘোষণার প্রেক্ষাপটে নগরীর দারুল ফজল মার্কেট থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনসমূহের একটি আনন্দ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এ সময় বক্তৃতাকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় ঘোষণার মধ্যদিয়ে বর্তমান সরকারের নির্বাচন পূর্ববর্তী অঙ্গীকারসমূহের অন্যতম একটির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
এই সময় আরো বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইনামুল হক দানু, আইন বিষয়ক সম্পাদক শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম সুজন, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি এম আর আজিম প্রমুখ। পরে সমবেত জনতার মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন মহিউদ্দিন চৌধুরী।
এদিকে একই ঘটনায় দারুল ফজল মার্কেট চত্বরে বিকালে সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ড। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা কমান্ডার মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিন, সহকারী কমান্ডার এ.কে.এম সরওয়ার কামাল, বশির আহমদ মজুমদার।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর ইউনিট কমান্ডের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ডের কমান্ডার মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়ার সঞ্চালনায় এক পথসভা ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় এলাকায় মিছিল-সমাবেশ করেছে ছাত্রলীগ মহানগর শাখা।
রায় ঘোষণায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। গতকাল সোমবার দুপুরে কলা অনুষদের ঝুপড়ি থেকে আনন্দ মিছিলটি শুরু হয়ে রেলস্টেশন চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নিজেদের মাঝে এবং ক্যাম্পাসের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি রুমেল, আসাদ, জনি, সৌরভ, আরমান, সাব্বির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন, দিয়াজ ইসতিয়াক, সাংগঠনিক সম্পাদক তুষার, ওরম ফারুক, পীযুষ, সহ-সম্পাদক এমরান হোসেন টিটু প্রমুখ।
সিলেট অফিস জানায়, সিলেটে গতকাল সোমবার আনন্দ মিছিল হয়েছে। জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট পৃথক মিছিল করেছে। দুপুরে সিটি পয়েন্ট থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি, আওয়ামী লীগ নেতা আ ন ম শফিকুল হক, এডভোকেট নিজাম উদ্দিন, এডভোকেট শাহ মোশাহিদ আলী, এটিএম হাসান জেবুল, আজহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, তপন মিত্র, রনজিত্ সরকার, সৈয়দ শামীম, আরমান আহমদ শিপলু, সুদীপ দে, মুশফিক জায়গীরদার প্রমুখ।
এর আগে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক নগরীতে আনন্দ মিছিল করে।
খুলনা অফিস জানায়, বিচারের রায় ঘোষণায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে খুলনায় আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ। মিছিলটি বেলা ১১টায় দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
সমাবেশে মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক রায়। এই রায়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষাকারীদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এস এম কামাল হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব সাইফুজ্জামান শিখর, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক অসিত বরণ বিশ্বাস, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা এম ডি বাবুল রানা, নূর ইসলাম বন্দ, মাহবুব আলম সোহাগ, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলী আসগর মিন্টু, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, যুবনেতা হাফেজ মো. শামীম, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মো. আবু হানিফ, শফিকুর রহমান পলাশ, ফারুক হাসান হিটলু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা নবীরুজ্জামান বাবু, রিয়াজ মোর্শেদ, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আরাফাত হোসেন পল্টু, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা হোসেনুজ্জামান হোসেন, অভিজিত্ পাল প্রমুখ।
নোয়াখালী অফিস জানায়, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সোমবার বিকালে জেলা শহর মাইজদীতে আনন্দ মিছিল করে। পরে এক সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, একরামুল করিম চৌধুরী এমপি, শিহাব উদ্দিন শাহিন, আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু, সহিদ উল্যা খান সোহেল, আবু তাহের প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, শহরে আনন্দ মিছিলের নেতৃত্ব দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আজিজুল ইমাম চৌধুরী। এ সময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন বাবলু, ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল প্রমুখ।
আমাদের ফরিদপুর প্রতিনিধি জানান, বেলা পৌনে ১২ টার দিকে একটি মিছিল শহরের কমলাপুরে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বাসভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। পরে মিছিলটি ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে পলাতক বাচ্চু রাজাকারকে ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেয় জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা। এর আগে গত এপ্রিলে বাচ্চু রাজাকার পালিয়ে যাওয়ার দিনই তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিল জেলা আওয়ামী লীগ। রায় ঘোষণা হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে ফরিদপুরের আপামর জনতা।
বাচ্চু রাজাকারের নিজ এলাকা সালথা উপজেলার খারদিয়া, সোনাপুর, বালিয়া বাজার, আটঘর ও সালথাবাসী আনন্দ মিছিল করেছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে নির্যাতিত সালথা উপজেলা সদরের হরেন্দ্রনাথ বকসী মন্টু (৭৮) ও তার স্ত্রী তৃপ্তি রানী বকসী বলেন, বাচ্চু রাজাকার প্রথমে আমাদের বাড়িতে অগ্নি সংযোগ, লুটপাট ও নির্যাতন করে। তার ফাঁসির রায়ে আমরা খুবই খুশি।
উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল জব্বার মাতুব্বর নালু বলেন, তার দুইবার ফাঁসি হওয়া উচিত। পুরুরা গ্রামের বিল্লাল হোসেন বলেন, এ রায় জাতি কিছুটা হলেও পাপমুক্ত হয়েছে। রামকান্তপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আলতাফ হোসেন মোল্যা বলেন, রায় কার্যকর হলে মরেও শান্তি পাব। আটঘরের নির্যাতিত পরিবারের সদস্য আব্দুল ওহাব মিয়া বলেন, আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া।
বোয়ালমারী (ফরিদপুর): রায় ঘোষণার পর বোয়ালমারী উপজেলা সদর ও ময়েনদিয়া বাজারে সাধারণ জনগণ আনন্দ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে বোয়ালমারী চৌরাস্তা মোড়ে প্রতীকী ফাঁসির মাধ্যমে বাচ্চু রাজাকারের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে জনগণকে মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাস করতে দেখা যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠন একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। পরে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মো. হেলাল উদ্দিন, জহিরুল হক খান, হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
নরসিংদী: রায় ঘোষণার খবরে নরসিংদীতে ব্যাপক আনন্দ উল্লাস ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। জেলার ৬টি উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা অফিসে আনন্দ উল্লাসের খবর পাওয়া গেছে।
নগরকান্দা (ফরিদপুর): রায় ঘোষণা হওয়ায় পর আবুল কালাম আযাদের নিজ এলাকা নগরকান্দা ও সালথায় দুপুরে আনন্দ মিছিল করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা।
কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠন উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে এক পথসভায় মিলিত হয়। পথসভায় বক্তব্য রাখেন লালমোহন বিশ্বাস, মতিয়ার রহমান হাজরা, নারায়ণ চন্দ্র দাস, ফজলুর রহমান দিপু প্রমুখ। পথসভা শেষে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
জেলা আওয়ামী লীগ আনন্দ মিছিল করেছে। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে। এতে বক্তব্য রাখেন নূরুল হুদা মুকুট, শফিকুল আলম, হাজী আবুল কালাম, হায়দার চৌধুরী লিটন প্রমুখ।
গোপালগঞ্জ: জেলায় আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন। পরে চৌরঙ্গীতে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাহাবুর আলী খান, জি.এম শিহাব উদ্দিন আজম, জাহেদ মাহামুদ বাপ্পী প্রমুখ। এর আগে সকাল থেকে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজপথে অবস্থান নেন।
রায় ঘোষণার পর বরিশালের আগৈলঝড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আনন্দ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে পথসভা করে।
পার্বতীপুর (দিনাজপুর): একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পার্বতীপুর শাখার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বেলা ১১টা দিকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন রেজাউল করিম, আকতার হোসেন, কাজী তোফাজ্জল হোসেন, রোকসানা খাতুন প্রমুখ।
মকসুদপুর (গোপালগঞ্জ): উপজেলা আওয়ামী লীগ আনন্দ মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। এতে বক্তৃতা করেন রওশন আলী মিয়া, আশরাফ আলী আশু মিয়া, হুজ্জাত হোসেন লিটু মিয়া, হাফিজুর রহমান লেবু, কাজী ওহিদুল ইসলাম, জহির হাসান টিটো, আমিনুর রহমান পল্টু প্রমুখ।
সোমবার বিকালে ঈশ্বরদীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল বের হয়। আনন্দ মিছিলে জাসদসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মিষ্টি ও বিতরণ করা হয়।
রায় ঘোষণার পর সোমবার দুপুরে ফেনী ও ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠন পৌর শহরে আনন্দ মিছিল বের করে।
মুন্সীগঞ্জ: দুপুরে মুন্সীগঞ্জে আনন্দ মিছিল হয়েছে। শিল্পকলা চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশ নেয়।
