জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের বালিকান্দি গ্রামে ২৩ বছর পূর্বে সংঘটিত আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে হাইকোর্ট ৩জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। এর মধ্যে ২১ জানুয়ারি ২জন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ও ১জন গাজীপুর কারাগার থেকে ছাড়া পেয়েছেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ১০জন রয়েছেন সিলেট কারাগারে। মৃত্যুদণ্ড বহাল ৩জন এখনো পলাতক। মুক্তি পাওয়া ৩জন হলেন জগন্নাথপুরের বালিকান্দি গ্রামের মৃত হাজি মনোহর আলীর পুত্র নুর আবেদীন ও সাঙ্গিয়ারগাঁও গ্রামের মৃত ইসমাইল আলীর পুত্র রইছ আলী, পাড়ারগাঁও গ্রামের রোয়াব উল্ল্যার পুত্র বজলু মিয়া। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি ফজলুর রহমানের দ্বৈত বেঞ্চ গত বছরের ১৮ অক্টোবর এ সংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্সের রায়ে এ ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দেন। মামলায় মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা পলাতক ৩ আসামি হলেন পাড়ারগাঁও গ্রামের ফরিদ মিয়া, মতিউর রহমান ও আতিকুর রহমান। এলাকাবাসী সূত্র জানায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফরিদ মিয়া গ্রীস, মতিউর রহমান ও আতিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ২০০৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের তত্কালিন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ একে এম সলিম উল্ল্যা এই মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন। মামলার রায়ে সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। উচ্চ আদালতের দেয়া আদেশের প্রেক্ষিতে সকল কার্যক্রম শেষে ২০১০ সালের ২৪ নভেম্বর সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুর রহিম জনাকীর্ণ আদালতে আলোচিত এ মামলার রায় দেন। রায় ঘোষণায় মামলার ২৬ আসামির মধ্যে ১৮জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
