তামিম ইকবালের ফিফটির পরও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের জয় আটকাতে পারেনি দুরন্ত রাজশাহী। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ খেলোয়াড় মঈন আলির নিয়ন্ত্রিত বোলিং ঢাকাকে ১৫৬ রানে বেঁধে দিলেও দুরন্ত রাজশাহী শেষ পর্যন্ত ১৪৩ রান তোলে। গতকাল মঙ্গলবার খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস দুরন্ত রাজশাহীকে ১৩ রানে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় পেল। অন্যদিকে তিন ম্যাচে রাজশাহীর এটি দ্বিতীয় হার।
আগের দুই ম্যাচের প্রতিটিতেই দুশো রান করে জয় পেয়েছিল ঢাকা। তবে কাল লুক রাইটের ফিফটি (৩৭ বলে ৫১) ও সাকিবের ঝড়ো (২১ বলে ৩৭) ইনিংস সত্ত্বেও দলের রান থেমে যায় ১৫৬ রানে। দুরন্ত রাজশাহীর মঈন আলি ১৯ রানে তিন উইকেট নেন। পেসার মনির হোসেন নিয়েছেন দুই উইকেট। আগের দুই ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা আশরাফুলের ব্যাট থেকে কাল এসেছে মাত্র ৯ রান।
আগের দুই ম্যাচে হতাশ করা তামিমের ব্যাট থেকে কাল এসেছে ৪১ বলে ৫৭ রান। চার্লস কভেন্ট্রিকে সঙ্গে নিয়ে ৪০ রানের পার্টনারশীপও গড়েন রাজশাহীর সহ-অধিনায়ক। কিন্তু পার্টনারশীপটা বড় হওয়ার আগেই কভেন্ট্রি ফিরে গেছেন। পরে দ্রুত ফিরেছেন জহুরুল ইসলামও। দলকে ৭০ রানে পেছনে রেখে তামিমও বিদায় নেন সাকিবের একটি চমত্কার ডেলিভারিতে। অস্ট্রেলিয়ান সায়মন ক্যাটিচ ও জিয়াউর রহমান শেষ জুটিতে ৫৭ রান তোলেন বটে তবে সেটি যথেষ্ট ছিল না। ক্যাটিচের ব্যাট থেকে এসেছে ২৪ বলে ৩৩ ও জিয়ার ব্যাট থেকে ২২ বলে ২৫। শেষ উইকেটে জিয়ার ধীর ব্যাটিংও দলের পরাজয়ের অন্যতম কারণ বলে মনে করেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস- ২০ ওভারে ১৫৬/৮ (রাইট ৫১, সাকিব ৩৭, কোব ১৬, এনামুল ১২, মঈন ৩/১৯, মনির ২/২২)।
দুরন্ত রাজশাহী- ২০ ওভারে ১৪৩/৩ (তামিম ৫৭, ক্যাটিচ অপ: ৩৩, জিয়া অপ: ২৫, সাকিব ১/১৮)।
ফল: ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস জয়ী ১৩ রানে।
