ঝিনাইদহ ঃ ২০১২

খুন ৪৭, ধর্ষণ ৩২

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৪
ঝিনাইদহ জেলায় গত বছর (২০১২) খুনের মত গুরুতর অপরাধের ঘটনা বেড়েছে। জেলার ৬ উপজেলায় ৪৭ জন খুন হয়েছে। ২০১১ সালের চেয়ে ধর্ষণের ঘটনা কমেছে। ২০১২ সালে ৩১ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ২০১১ সালে ৪৩টি নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। গত বছরে তিনজন নারীর উপর এসিড নিক্ষেপ করা হয়। সব মিলিয়ে একশ’ ৭৩টি নারী নির্যাতনের মামলা রেকর্ড হয়েছে। শিশু নির্যাতনের মামলা হয়েছে ৭টি। আর মুক্তিপণের জন্য ১৪ জনকে অপহরণ করা হয়।—খবর পুলিশ সূত্রের। অন্যান্য গুরুতর অপরাধের মধ্যে ১টি খুনসহ ৮টি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। দস্যুতার মামলা হয়েছে ১৫টি। ৯টি চাঁদাবাজি, যানবাহন ভাংচুরের ১টি, ছিনতাই ৮টি, ত্রাস সৃষ্টির ৩টি ও সম্পত্তি নষ্টের ২টি মামলা হয়েছে। গত বছর ৫১টি চুরির মামলা, অস্ত্র আইনে ৩৬টি, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ১৪টি, মাদকদ্রব্য আইনে ৩শ’ ২০টি ও চোরাচালানের মামলা হয়েছে ৮৭টি। পুলিশ আক্রান্তের ১০টি মামলা হয়েছে। পুলিশের একটি গাড়ি পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে গত বছরে। থানাগুলোতে ফৌজদারি অপরাধে দায়েরকৃত মোট মামলা ১৮শ’ ১৩টি। রাজনৈতিক দলের কর্মী হত্যার ঘটনা ঘটলেও পুলিশ রিপোর্টে একটিও রাজনৈতিক হত্যার ঘটনা উল্লেখ করা হয়নি। অথচ হরিণাকুন্ডু উপজেলার তাহেরহুদা বাজারে বিএনপি নেতা গোলজার হোসেনকে বোমা মেরে ও গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনাকে রাজনৈতিক হত্যার ঘটনা বলা হয়নি। সব ধরনের ফৌজদারি অপরাধের মামলা থানাতে রেকর্ড করা হয় না। অনেক চুরি, ছিনতাইসহ ছোট-খাট অপরাধের ঘটনা থানাতে মামলা হয় না। ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি থানাতে জানায়। পুলিশও লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। বাদি মনে করে মামলা হয়েছে। কিন্তু আসলে এজাহার হয় না। চেপে যাওয়া মামলা পুলিশের ভাষায় ১৪ নম্বর মামলা বলে পরিচিত। থানা ছাড়াও আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়ে থাকে। এসব অপরাধের মামলা সি আর মামলা বলে পরিচিত। থানাতে দায়ের করা ফৌজদারি মামলার চেয়ে আদালতে দায়ের করা ফৌজদারি মামলার সংখ্যা বেশি বলে জানা যায়।