কলাপাড়ায় জেলে জরিপে অনিয়ম

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৬
কলাপাড়ায় চলমান জেলে জরিপে প্রকৃত জেলেদের বাদ দিয়ে অন্য পেশার লোকদের তালিকাভুক্ত করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রকৃত জেলেরা বঞ্চিত হয়ে ঘটনার প্রতিকার চেয়ে রবিবার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগ ও জেলেদের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নে জরিপের দায়িত্বপ্রাপ্ত পেয়ারপুর আমেনা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন রবিবার পর্যন্ত ৩৯০জনকে তালিকাভুক্ত করেছেন। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে। তালিকার মধ্যে বেশির ভাগ জেলে নয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে অর্থ আদায়ে সহায়তা করেছেন একই ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি মো.শহীদুল ইসলাম। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়নের সাত নং ওয়ার্ডে মো. জাফর হাওলাদার, শহিদুল, কাদের হাওলাদার, সাইদুল, জাফরসহ অন্তত দেড় শতাধিক প্রকৃত জেলে রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের কাছে ওই পরিমাণ টাকা দাবি করা হয়েছিল। দিতে অস্বীকার করায় তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়নি। তালিকাভুক্ত হতে না পেরে বহু জেলে সাগরে ফিরে গিয়েছে বলেও জেলেরা অভিযোগ করেন। জানা গেছে, মত্স্য অধিদপ্তর জেলেদের সরকারিভাবে সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য “জেলেদের পরিচয়পত্র ও নিবন্ধন প্রকল্পের” মাধ্যমে জেলে জরিপের কাজ শুরু করে। যা গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এবং ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। একাজে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে মোট ২৫জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। শিক্ষকদের তালিকা তৈরিতেও অনিয়মের অভিযোগ করেছেন অনেক শিক্ষক। শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, অর্থ গ্রহণ তো দূরের কথা, জরিপ কাজেও তিনি কোন উপজেলা সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল হক আকন্দ জানান, “জেলেদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং প্রকৃত জেলেরা বাদ পরলে তাদেরকে তালিকাভুক্ত করা হবে। ”