গভীর সাগরে বরগুনার ১১ মাঝি-মাল্ল¬া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত দুই জলদস্যুকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার গোয়েন্দা পুলিশ। ধৃত জলদস্যুরা হলো বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার ছোট পাথরঘাটা এলাকার মোঃ ছব্বির (২৮) এবং কক্সবাজারের পূর্ব কলাতলী এলাকায় বসবাসকারী রোহিঙ্গা অলি চাঁন (৩০)। পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩ জানুয়ারি রাতে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে ১৬জন মাঝি-মাল্লা এফবি এসরাত নামক ট্রলার নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর বঙ্গোপসাগরে রওনা দেয়। কিন্তু ১৬ মাঝি-মাল্লার মধ্যে ৬ জন ছিল জলদস্যু। সাগরে পৌঁছার পর মাঝি-মাল্লারা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে জেলেবেশী ৬ জলদস্যু ঘুমন্ত ১০ মাঝি-মাল্ল¬াকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং লাশ গভীর সাগরে ফেলে দেয়। কিন্তু ঘটনার পরিকল্পনাকারী জসিম ডাকাতের সাথে অন্য জলদস্যুদের বিরোধ দেখা দেয়। জসিম ডাকাত লুণ্ঠিত ট্রলারসহ মালামাল নিয়ে মহেশখালীর দিকে এবং অন্যরা মালয়েশিয়ার দিকে যেতে চায়। এ নিয়ে বিরোধের এক পর্যায়ে জলদস্যুরা জসিমকে হত্যা করে সাগরে ফেলে দেয়। পরে জলদস্যুরা ট্রলারটি নিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে উপকূলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে আটকে পড়ে। হত্যাকারীদের মধ্যে হামিদুল হক তরফে লাদেন গত ৫ জানুয়ারি গ্রেফতার হয়। মঙ্গলবার গভীর রাতে বান্দরবান জেলার টঙ্গাবতী রঞ্জুপাড়ার গহীন অরণ্যে অভিযান চালিয়ে জলদস্যু ছব্বিরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার প্রদত্ত তথ্য মতে বুধবার ভোরে অলি চাঁনকে গ্রেফতার করা হয়।
