যশোরে গৃহপরিচারিকা মঞ্জুয়ারা হত্যাকাণ্ডের একমাস পর মামলা হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মঙ্গলবার মধ্যরাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় এ মামলাটি রেকর্ড করা হয়।
এর আগে এ হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২০ লাখ টাকা অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে এবং মৃত্যুর ঘটনাটি অপমৃত্যু হিসাবে রেকর্ড করা হয়। গৃহকর্তার নির্যাতনে অসুস্থ মঞ্জুয়ারা চিকিত্সাধীন অবস্থায় গত ২০ ডিসেম্বর যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের ওয়াদুদ মৃধার মেয়ে মঞ্জুয়ারা (১৫)। সে যশোর শহরের মুজিব সড়ক ষষ্ঠীতলাপাড়া এলাকার ডা. আব্দুর রউফের বাড়ির ভাড়াটিয়া মোখলেসুর রহমান চুন্নুর বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতো।
মঞ্জুয়ারার মা আসমা বেগম জানান, গত কয়েক বছর ধরে তার মেয়ে মঞ্জুয়ারা মোখলেছুর রহমান চুন্নুর বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতো। গত ১৯ ডিসেম্বর চুন্নু তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। কিন্তু স্ত্রী হাসিনা পারভীনের কাছে ধরা পড়ে দুজনে মিলে মঞ্জুয়ারার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ ও অচেতন হয়ে পড়লে তাকে যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিত্সাধীন অবস্থায় পরদিন তার মৃত্যু হয়।
