জনবান্ধব স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ও কোটি মানুষের হাতের কাছে পাবলিক টয়লেট সুবিধা পৌঁছে দিতে আরও বেশি সংখ্যক পাবলিক টয়লেট স্থাপন জরুরি। দেশের পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থার উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগসমূহ এগিয়ে নিতে বৃহস্পতিবার রাজধানীতে দৈনিক ভোরের কাগজ এবং ওয়াটারএইড আয়োজিত এক মত বিনিময় সভায় বক্তারা এ মতামত তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএসএম মাহমুদ হাসান, ওয়াসার ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রকৌশলী তাকসিম এ খান এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. খায়রুল ইসলামসহ সুইডিশ অ্যাম্বাসি এবং এইচএন্ডএম ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিবৃন্দ।
মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, আমি প্রত্যক্ষভাবে এ কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলাম এবং আছি। গত কয়েক বছরে সিটি কর্পোরেশন গুলোর পাবলিক টয়লেট সংস্কৃতিতে এক নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। এ ধারা এগিয়ে নিতে হলে আরো বেশি সংখ্যক পাবলিক টয়লেট স্থাপন জরুরি।
মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, উন্নত পাবলিক টয়লেট নিশ্চিত করতে মার্কেট, রেস্তোরাসহ জন সমাগম স্থলে আরও বেশি বেশি পাবলিক টয়লেট বানাতে হবে। সিটি কর্পোরেশন গুলোর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের এ কাজে সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে।
ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, সিটি কর্পোরেশন সমূহের নেতৃত্বে বিগত ৫ বছরে ওয়াটারএইড এর সহযোগিতায় ৩৭টি আধুনিক মানের পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করে নতুন উদাহরণ তৈরি করা হয়েছে। নির্মিত এ টয়লেট গুলো ৯০ লক্ষ বারের বেশি ব্যবহার করা হয়েছে, যা এ সেবার উন্নয়নের এক বড় মাপকাঠি। নির্মিত এ পাবলিক টয়লেটসমূহ নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করতে পারলে জনগণের নিকট তা আরও গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালনা করেন দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক শ্যামল দত্ত। অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ওয়াটারএইড সুইডেনের প্রধান নির্বাহী, সিসিলিয়া চ্যাটার্জী মারটিনসেন ও সিডা’র ফাস্ট সেক্রেটারি লিসা এন্ডারসন, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এটুআই কর্মসূচি পরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
আরও পড়ুন: সংবর্ধনার নামে ইউসিসি’র প্রতারণা
মতবিনিময় সভা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত দেশের সেরা পাবলিক টয়লেট, পাবলিক টয়লেটের শ্রেষ্ঠ সেবক (পুরুষ ও মহিলা), সেরা ফুয়েল স্টেশন টয়লেট ও সেরা হাইওয়ে টয়লেটের প্রতিনিধিদের পুরস্কৃত করা হয়।
ইত্তেফাক/অনি
