সিএসআর-এর (কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা) তহবিলের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে এটাকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে হবে। এজন্য বিচ্ছিন্ন প্রয়াসের পরিবর্তে সমন্বিতভাবে কাজ করার বিকল্প নেই। সিএসআর প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পেলে দুটো উপকার হবে প্রথমত, সিএসআর-এর অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি যে প্রতিষ্ঠান টাকা দিবে তারা স্বীকৃতি পাবে। দ্বিতীয়ত, সিএসআর কার্যক্রমের জন্য কাদের কর রেয়াত সুবিধা দেয়া যাবে সেটাও অর্থমন্ত্রী বুঝতে পারবেন।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে সিএসআর অভিজ্ঞতা বিষয়ক প্রকাশনা ‘ভিশন ফর এ নিউ বন্ডিং’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান এমআরডিআই (ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ) ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি রোকিয়া আফজাল রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস পত্রিকার সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন। মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস এ খান ও এমআরডিআই-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান এতে বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সিএসআর কার্যক্রম করার জন্য মানুষের আগ্রহের অভাব নেই। সমাজের প্রতি ব্যবসায়ীদের দায়িত্বের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার, ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং বেসরকারি সংস্থাসমূহের উন্নয়ন কার্যক্রমের মাঝে সমন্বয় সাধনের এখনই উপযুক্ত সময়।
এসকে সুর চৌধুরী বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু পদক্ষেপের কারণে ব্যাংকসমূহে সিএসআর কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত অগ্রগতি হয়েছে। এজন্য গত কয়েক বছর বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে সিএসআর তহবিলের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
