বাকৃবির ঘটনায় দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হবে : ভিসি

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:৫০
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল হক গত ১৯ শে জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ঘটনার জন্য পুলিশকে দায়ী করে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক অভিহিত করে বলেন, ঐদিনের ঘটনায় দোষীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করা হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই ৪০ জন ছাত্রকে শো-কজ করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। অভিযুক্ত ৪০ ছাত্রকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে শো-কজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেটের সভা করে অচিরেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হবে বলে তিনি জানান। গতকাল শনিবার উপাচার্য রফিকুল হক-ভিসির সভাকক্ষে প্রেসব্রিফিংয়ে বলেন, ২রা ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হতে পারে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট শূন্যের কোঠায় রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঐদিন যদি পুলিশ প্রশাসন সঠিক ভূমিকা পালন করতো হয়তো দুঃখজনক ঘটনাটি ঘটতো না। তিনি বলেন, আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শুধু আহবানই জানাইনি। ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানিয়ে ক্রন্দন করেছি, কিন্তু পুলিশ কোন অ্যাকশনে যায়নি। দুইটি তদন্ত কমিটি সম্পর্কে বলেন, যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রবাস বন্ধ সে কারণেই তারা আরো ৭দিন সময় নিয়েছেন। নিহত শিশু রাব্বীর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। ইতিমধেই তার পরিবারকে ২ লাখ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা দিয়েছি। এমনকি তার পরিবারের সক্ষম সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থাও করা হবে। প্রেসব্রিফিংয়ে রেজিষ্ট্রার মোঃ নজিবুর রহমান, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সুলতান উদ্দিন ভুঁইয়া, প্রক্টর প্রফেসর ড. শহিদুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।