চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিনটি ৫ বছর ধরে অকেজো পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে অপারেটরও নেই। ফলে হাসপাতালে আসা সাধারণ রোগীরা এ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরেজমিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, এক্স-রে মেশিন রাখা দুটি কক্ষই তালাবদ্ধ। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর কিপার (ভারপ্রাপ্ত) ডালিম কুমার রায় তালাবদ্ধ ৩০০ এমএ এক্স-রে কক্ষ খোলার পর দেখা গেছে পুরো কক্ষে ময়লা। পাশে ১০০ এমএ কক্ষটি স্টোর রুম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘৫ বছর ধরে এক্স-রে যন্ত্র অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অপারেটরও (রেডিওগ্রাফার) নেই দীর্ঘদিন ধরে।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরো উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা ও পাশের রাউজান উপজেলার লোকজনও এই হাসপাতালে চিকিত্সা নিতে আসেন। এক্স-রে মেশিন না থাকায় হাসপাতালে আসা রোগীদের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় এক্স-রে যন্ত্র না থাকায় বিলম্ব হচ্ছে চিকিত্সা।
সরফভাটা থেকে এসেছেন মো. আলমগীর (৪৮) নামে এক রোগী নলকূপ চাপতে গিয়ে আঘাত পেয়েছেন বুকে। হাসপাতালে তাকে নিয়ে এসেছেন রোগীর এক স্বজন। হাসপাতালে এক্স-রে না থাকায় বাইরে থেকে এক্স-রে করাতে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মোমিনুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এক্স-রে মেশিন চালানোর জন্য অপারেটর নেই। যন্ত্র দুটির মধ্যে একটি কিছুটা ভালো থাকলেও হয়তো না চালানোর কারণে এটিও নষ্ট হয়ে গেছে। জনবল ও এক্স-রে মেশিন ঠিক করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।’
