ভোলা বোরহানউদ্দিন উপজেলায় পৌর বাজারসহ ৯টি ইউপিতে প্রায় অর্ধশতাধিক স্থানে নিপাহ ভাইরাস বহনকারী বাদুড়ের অভয়াশ্রম দেখা গেছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিপাহ ভাইরাসের খবর দেখে আতঙ্কে দিন কাটছে উপজেলার কয়েক লাখ লোক। পৌরসভায় বাদুড়ের অভয়াশ্রমগুলো হচ্ছে ভূমি অফিস সংলগ্ন বাগান, জেলে পাড়া, মাষ্টার পাড়া, ভাওয়াল বাড়ি, ডাক বাংলো বাগান, ওয়েষ্টান পাড়াসহ কয়েকটি স্থান। এ ছাড়া হাসান নগর ইউপির কাজীর হাট, খাসমহল বাজার, কুতুবা ইউপির ফকির বাড়ি, বড় বাড়ি, বোরহানগঞ্জ বাজার, টবগী ইউপির মনিরাম বাজার, কাচিয়া ইউপির গ্যাস ফিল্ড বাজার, বৌদ্ধের পুল বাজার, গঙ্গাপুর ইউপির শান্তির হাট বাজার, জয়ার হাট, বড় মানিকা ইউপির মানিকার হাট, রানীগঞ্জ বাজার, সাচড়া ইউপির দরুন বাজার, দেউলা ইউপির মজম বাজারসহ অর্ধশতাধিক স্থানে বাদুড়ের অভয়াশ্রম রয়েছে। ছোট মানিকা গ্রামের ফল চাষি বাদল চন্দ্র দে জানান, তার বাগানে বাদুড়ে ফেলা প্রায় সব প্রজাতির ফল সকালবেলা ছেলে-মেয়েরা কুড়িয়ে নিয়ে যেত। এখন নিপাহ ভাইরাসের কথা জেনে তার বাগানের মাটিতে পড়া কোন ফল কাউকে নিতে দেই না। পৌরসভার ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানায়, আমাদের যে এলাকাগুলোতে ঘন বসতি সেখানেই কয়েক শত গাছে বাদুড়ে অভয়াশ্রম ছোট শিশুদের নিয়ে চরম আতঙ্কে আছি।
এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নজরুল ইসলাম জানায়, যেহেতু উপজেলার প্রায় এলাকায় অসংখ্য বাদুড়ের আস্থানা তাই ওই সব স্থানে বাচ্চাদের প্রতি ভাল ভাবে নজরে রাখতে। কারণ বাদুড়ের অর্ধ চিবানো ফল-মূল,বিষ্টা, লালা থেকে এ ভাইরাস দ্রুত ছড়ায়। বোরহান
উদ্দিন পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম জানায়, অচিরেই বাদুড় তারানোসহ জনসচেতনা মূলক ক্যাম্পেইন চালু করা হবে।
