ইত্তেফাক সংবাদদাতা ফারুক কি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন?

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৫২
ফরিদপুরের মধুখালী বাজারে হাইওয়ে পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত দৈনিক ইত্তেফকের মধুখালী সংবাদদাতা শাহ মো. ফারুক হোসেনের সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা নিয়ে দেখা দিয়েছে শংকা। ৫ দিন যাবত্ তিনি ফরিদপুর ডায়াবেটিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, কোমর থেকে তার শরীরের নিম্নাংশের সংযোগস্থানে হাড়ের স্থানচ্যুতি (জয়েন্ট ডিসপ্লেস) হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর সাংবাদিক ফারুকের বাবা শাহ মো. শফিউল আলম বাদী হয়ে মধুখালী থানায় এজাহার দিলেও পুলিশ এখনো তা নথিভুক্ত করেনি। আহত সাংবাদিক ফারুক জানিয়েছেন, তার পায়ের ভেতর রড ঢুকিয়ে ইট বেঁধে টানা দেয়া হয়েছে। ফরিদপুর ডায়াবেটিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. দিলীপ কুমার দাস আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, তিনি সুস্থ হবেন তবে এধরনের চিকিত্সা দীর্ঘমেয়াদি, তাকে কমপক্ষে আরো মাসখানেক হাসপাতালে থাকতে হবে। এদিকে মামলার বিষয়ে মধুখালী থানার অফিসার ইন চার্জ নূরে আলম সিদ্দিকীর কাছে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, এটা আপনি তার (আহত ফারুক) কাছ থেকে জেনে নেন। এরপরই আর কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। এর আগে ঘটনার দিন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয় বসাক ঢাকা থেকে ইত্তেফাকের কাছে মন্তব্য করেছিলেন ‘পুলিশের উপর দোষ দেয়া তো খুব সহজ’। উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি করিমপুর হাইওয়ে থানার হাবিলদার তোফাজ্জেল হোসেন একটি ট্রাককে করিমপুর থেকে ধাওয়া করে মধুখালী বাজারে গিয়ে আটক করে। ওই হাবিলদার ট্রাক থেকে ড্রাইভারকে নামিয়ে বেধড়ক মারপিট শুরু করে। ঘটনাটি দেখে স্থানীয় জনতা পুলিশকে ধাওয়া দেয়। এসময় ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিক ফারুক ছবি তুলতে ও সংবাদ সংগ্রহ করতে যান। পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়ি ফারুককে ধাক্কা দেয়।