ঈশ্বরদীর কয়েকটি কৃষি খামারে এবারে বাউকুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বাজার মন্দার কারণে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। ঈশ্বরদীতে বাউকুলের চাষ গত তিন/চার বছরে যে ব্যাপকতা লাভ করেছিল এবার সেই অবস্থা আর নেই। কুল চাষের আধিক্যের কারণে অনেকেই এখন পেয়ারা চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন।
জানা যায়, এবারে অনেক খামারের বাউকুলের গাছ চাষিরা কেটে ফেলেছেন। গত বছরের তুলনায় এবার কুলের চাষ তুলনামূলক যেমন কম, তেমনি বাজারে চাহিদাও কম। খামার থেকে কুল উঠিয়ে রাজধানী ঢাকায় পৌঁছাতে প্রতি কেজিতে খরচ পড়ে প্রায় পাঁচ টাকা। কিন্তু এক কেজি কুল রাজধানী ঢাকার পাইকারি বাজারে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা। বিগত বছরের তুলনায় দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে জমির খাজনা মিটিয়ে খরচ উঠছে না বলে চাষিরা জানান।
ঈশ্বরদীর ছলিমপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের মোহাম্মদ পান্না জানান, তার খামারে এবারে কুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। তিনি এবার ৩৪ বিঘা জমিতে কুল চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা কুল ৪০ হাজার টাকা দরে বিক্রি করলে তিনি প্রায় ১৩ লাখ টাকার কুল বিক্রি করবেন বলে জানান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খুরশিদ আলম বলেন, এবারে ঈশ্বরদীতে কুলের চাষের পরিমাণ গত বছরের চেয়ে অনেক কম। তারপরও যারা চাষ করেছেন তাদের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে কুলের বাম্পার ফলন হলেও বাজারদর কম হওয়াতে খরচ মিটিয়ে চাষিদের তেমন লাভ হবে না।
