এক ব্যবসায়ীর জমিতে প্রবেশ না করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:১৫
তুরাগ থানার আহালিয়ায় এক ব্যবসায়ীর জমিতে প্রবেশ না করতে নাদিম মাহমুদকে গতকাল রবিবার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী এবং বিচারপতি মাহমুদুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে হাইকোর্ট অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে নাদিম মাহমুদের বিরুদ্ধে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছে। কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে—তা আগামী সাত দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে জানাতে বলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে ঢাকার জেলা প্রশাসক, ডিএমপি কমিশনার, তুরাগ থানার ওসি এবং র্যাব-১ এর অধিনায়ককে হাইকোর্ট রুলের জবাব দিতে বলেছে। আদেশে ব্যবসায়ী সিরাজুল হকের মালিকানাধীন আহালিয়া, মৌজা বাউনিয়া সিএস এবং এস এ দাগ নং-১২৭০, আর এস দাগ নং-৪৫০৬, ঢাকা সিটি জরিপ দাগ নং ৫৬১১ এবং ৫৬১০/৫৬৯১ জমিতে নাদিম মাহমুদের প্রবেশের ওপর ছয় মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। শুনানিকালে হাইকোর্ট বলেন, দেশটা মগের মুল্লুক নয়। বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও একজনের জমি আরেকজন দখল করে নিবে তা হতে পারে না। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে সিরাজুল হকের জমি থেকে তার সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে। এ ব্যাপারে আদালতের যথাযথ নির্দেশনা প্রয়োজন। এ সময় হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজমুদ হুদা এবং অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়নের মত জানতে চান। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেন, নিম্ন আদালত অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে সঠিক বিচার করতে পারে না। ইউসুফ হোসেন হুমায়ন বলেন, নিম্ন আদালতে মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ বিলম্ব হয়। এক্ষেত্রে হাইকোর্ট আদেশ দিতে পারে। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।