ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজটি গত ৩৬ বছরেও তেমন কোন মেরামত করা হয়নি। একদিকে প্রতিদিন শত শত গাড়ির আনাগোনা অন্যদিকে কোন প্রকার মেরামতের ব্যবস্থা না করায় কাঁচপুর ব্রিজের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আর ঝুঁকি নিয়েই চলছে ভারী যানবাহন।
শত বছরের স্থায়ীত্বের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ শিমরাইল এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মিত কাঁচপুর ব্রিজ ৩৬ বছরেই দুর্বল হয়ে পড়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ও ব্রিজের পিলারের উপর অতিরিক্ত চাপ, নদীতে চলাচলের সময় সেতুর পিলারের সাথে মালবাহী জাহাজের ধাক্কা, সেতুর পিলারে শিকল বেঁধে মালবাহী জাহাজ থেকে মালামাল খালাসসহ অবৈধ দখলদারদের কারণে সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
নিত্যদিনের যানজটে ধারণক্ষমতার তিনগুণ লোড, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও নদীতে চলাচলের সময় সেতুর পিলারের সাথে মালবাহী জাহাজের ধাক্কা, সেতুর পিলারে শিকল বেঁধে মালবাহী জাহাজ থেকে মালামাল খালাসসহ অবৈধ দখলদারদের কারণে সেতুটি মারাত্বক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সেতুর নিচের অংশে চোখ পড়লে বোঝা যায় কাঁচপুর সেতুটি বর্তমানে কতটা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা বালু-পাথর ব্যবসা করার জন্য সেতুর দু’পাড়ে অধিকাংশ জায়গা দখল করে নিয়েছে। নদীর নির্দষ্ট সীমানার চেয়ে প্রায় আড়াই থেকে ৩শ’ ফুট পর্যন্ত নদী খেকোদের দখলে চলে গেছে বহুদিন আগ থেকে। সম্প্রতি তা উদ্ধার অভিযান চলছে। সেতুর নিচ দিয়ে জাহাজ চলাচলের পথে পিলারের বেষ্টনি ভেঙ্গে যায় বহুদিন ধরে।
চৌদ্দ বছর ধরে ব্রিজটিতে নেই কোন নিরাপত্তা পাহারা। আলোও জ্বলে না, অপরদিকে যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাপের কারণে গত দেড় দশক ধরে ব্রিজের উপর প্রায় প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ ব্যাপারে সেতু বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, মেঘনা ও মেঘনা গোমতি সেতু মেরামতের পরেই দ্রুত কঁচপুর ব্রিজটির মেরামতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। উল্লেখ্য, বেগম সুলতানা কামাল সেতু চালুর পর কাঁচপুর সেতু মেরামতে সপ্তাহখানেক এটা বন্ধ থাকলে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের জন্য কোন বিঘ্ন সৃষ্টি হবে না।
