সড়ক ও জনপদ (সওজ) কার্যালয় অপারেশন ডিভিশন (পশ্চিমাঞ্চল) রাজশাহীর বিরুদ্ধে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রজাতির ৫৪টি গাছ মাত্র ৭১ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। গাছগুলো নিলামের লক্ষ্যে গত ৮ জানুয়ারি মো.সোহরাব হোসেন স্বাক্ষরিত একটি দরপত্র বিজ্ঞপ্তি নোটিস বোর্ডে টাঙানো হয়। তবে বিধি মোতাবেক ওই দরপত্র বিজ্ঞপ্তি কোন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ না করেই গোপনে শহিদুল ইসলাম নামের এক ঠিকাদারকে সর্বোচ্চ দরদাতা দেখিয়ে কাজ পাইয়ে দেয়ার অভিযোগও রয়েছে।
সরেজমিনে পৌর শহরে গিয়ে দেখা যায়, কালাই থানা মোড় থেকে পাঁচশিরা পর্যন্ত মহাসড়কের দু’পাশের ২৫-৩০ বছরের পুরনো প্রকাণ্ড রেইনট্রি, বট, পাইকর, নিমজুরিসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৫৪টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এসব গাছের প্রতিটির সর্বনিম্ন মূল্য গড়ে ৩৫ হাজার টাকার কম হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল। সে হিসেবে ৫৪টি গাছের গড় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২০ লাখ টাকা। অথচ তা নিলামে বিক্রি করা হয়েছে মাত্র ৭১ হাজার ৩২০ টাকায়। অথচ স্থানীয় আলুহাটি এলাকায় অবস্থিত পুরাতন একটি রেইনট্রি গাছই ৩৬ হাজার ৩শ’ টাকায় জয়পুরহাটের কোমরগ্রামের এক স’-মিল মালিকের নিকট বিক্রি করেছেন ঠিকাদার শহিদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে ঠিকাদার শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে এ কাজ পেয়ে অফিস আদেশ বলে গাছগুলো কাটছি। এ ব্যাপারে সওজ অপারেশন ডিভিশন (পশ্চিমাঞ্চল) রাজশাহীর নির্বাহী বৃক্ষপালনবিদ সোহরাব হোসেনের সাথে একাধিকবার টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।
